আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সারা জীবন কাটিয়েছিলেন ব্রহ্মাণ্ড, কৃষ্ণ গহ্বর নিয়ে গবেষণা করে। মৃত্যুর পর স্টিফেন হকিং–এর কণ্ঠ ছড়িয়ে গেল সেই ব্রহ্মাণ্ডেই। শুক্রবার লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে তাঁর চিতাভস্ম রাখা হয় নিউটন চার্লস ডারউইনের মাঝে। তারপর হকিং–এর যান্ত্রিক কণ্ঠ দিয়ে তৈরি গ্রিক সঙ্গীত পরিচালক ভ্যাঙ্গেলি রচিত বিশেষ স্বরলিপি রেডিও শব্দতরঙ্গের মাধ্যমে মহাশূন্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পৃথিবীর সংরক্ষণ নিয়ে হকিং–এর ৬ মিনিটের ওই বার্তা তারপর প্রেরণ করা হয় ৩৫০০ আলোকবর্ষ দূরে ১এ০৬২০–০০ কৃষ্ণ গহ্বরে। ১৯৭৫ সালে ওই কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন হকিং। 
হকিং–এর মেয়ে লুসি হকিং বলেন, তাঁর বাবা জীবনভর মহাশূন্য, ব্রহ্মাণ্ডের রহস্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।

তাঁকে সম্মান জানাতে পৃথিবীবাসীর এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তাঁর বাবার কণ্ঠ মহাশূন্যে রয়ে গেল, এটা তাঁদের তিন ভাইবোনের কাছেই গর্বের বিষয়। লুসি আরও বলেন, শান্তি, আশা, একতা, সম্প্রীতি এবং বেঁচে থাকার অর্থ রয়েছে তাঁর বাবার ওই বার্তায়। 
মহাকাশবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং ৭৬ বছর বয়সে গত ১৪ মার্চ মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেন ইংল্যান্ডের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ থেকে শুরু করে নাসা। মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত  হকিং চলচ্ছক্তি হয়ে পড়লেও এবং কথা বলার ক্ষমতা হারালেও রোগের কাছে হার মানেননি। হুইল চেয়ার এবং যান্ত্রিক কণ্ঠের মাধ্যমে চালিয়ে গিয়েছেন গবেষণা। তাঁর বই প্রকাশিত হয় ১৯৮৮ সালে। ‘‌আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম’‌ রাতারাতি হকিং–কে বিখ্যাত করে দেয় বিশ্ববাসীর কাছে। মানুষ জানতে পারে মহাশূন্যে অবস্থিত কৃষ্ণ গহ্বরের কথা।  

জনপ্রিয়

Back To Top