চঞ্চলকুমার ঘোষ: কিছুদিন হল অধীরবাবুর শরীরটা ভাল নেই। চোখেও ভাল দেখতে পান না। অধীরবাবু বাংলা সাহিত্যে প্রতিষ্ঠিত লেখক না হলেও পরিচিত লেখক। এক সময় তাঁর দুটো উপন্যাস পাঠক সমাজে সাড়া ফেলেছিল। একটা পুরস্কারও পেয়েছিলেন।
অনেক বছর চাকরি করেছেন। দুবছর হল অফিসটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। টাকাপয়সাও কিছু পাননি। লেখালেখি আর গোটা কয়েক টিউশনি করে ‌‌সংসারটা চালিয়ে নিচ্ছিলেন। শরীর খারাপ হওয়ার পর টিউশনি বন্ধ। লেখালেখি আর বিশেষ করতে পারছেন না।
তিন মাস হল রমা সংসার সামলাচ্ছে। এরপর কী হবে ভাবতে পারছেন না অধীরবাবু। মেয়েটা সতেরো বছরে পা দিয়েছে, বোধবুদ্ধি স্বাভাবিক নয়। মেয়েটার জন্যে বড় চিন্তা হয়।
সন্ধেবেলায় ঘরের বারান্দায় বসেছিলেন অভীরবাবু। নেহাত পৈতৃক বাড়িটা আছে তাই ভাড়া গুনতে হয় না। বাড়ির সামনে রাস্তা। ওপারে পাঁচতলা একটা ফ্ল্যাটবাড়ি তৈরি হয়েছে। মাঝে মাঝে নিজের পুরনো বাড়িটার সঙ্গে নতুন তৈরি ফ্ল্যাটবাড়িটার তুলনা করেন, ঠিক নিজের লেখার মতো। বেশ কিছু নতুন সব ছেলে–‌মেয়ে লেখার জগতে উঠে এসেছে। কী ঝকঝকে ভাষা তাদের। চিন্তাভাবনাও অন্যরকম। একেবারে এ কালের জীবন। লোকে ওদের বই পড়ছে। ভাল বিক্রি হচ্ছে। অথচ তার বই। হরিবাবুর প্রকাশনা থেকে আগে চারখানা বই বার হয়েছে। তিনিও আর বই বার করতে চাইছেন না। দু’‌খানা পাণ্ডুলিপি ফিরিয়ে দিয়েছেন। ‘‌আপনার লেখা এখন পুরনো ধাঁচের হয়ে যাচ্ছে। নতুনের সঙ্গে আপনি তাল মেলাতে পারছেন না।’‌
অনেক ভেবেছেন। ঠিক কীভাবে নিজেকে পাল্টাবেন বুঝে উঠতে পারেননি। তা ছাড়া এত বছর ধরে গড়ে ওঠা ভাবনাচিন্তা। তাকে চাইলেই কি পাল্টানো যায়।
আনমনা হয়ে গিয়েছিলেন অধীরবাবু। অনেক আগেই সন্ধে হয়ে গিয়েছে। রাস্তার আলোটা এক সপ্তাহ হল খারাপ। কবে সারানো হবে কে জানে। বাড়ির সামনেটা অন্ধকার। কারও পায়ের শব্দ পেলেন। মুখ না ফিরিয়েও বুঝতে পারলেন রমা। বাড়ির সকলের পায়ের শব্দ তার চেনা। পাশে এসে দাঁড়ায় রমা।
‘‌কিছু বলবে?‌’‌ মুখ ফিরিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন অধীরবাবু।
‘‌ক’‌দিন ধরেই তোমাকে একটা কথা বলব ভাবছিলাম। বলতে পারিনি।’‌
‘‌এত দ্বিধার কী আছে বলো।’‌
‘‌বড় রাস্তার মোড়ে পোস্টার দেখলাম ‘‌মা সারদা আয়া সেন্টার’‌ বিজ্ঞাপন দিয়েছে। ওরা কাজের লোক চাইছে। বয়স্ক আর বাচ্চাদের দেখাশোনার কাজ। সকাল আটটা থেকে সন্ধে সাতটা পর্যন্ত। প্রতিদিন ১৬০ টাকা। সংসারের যা অবস্থা কিছু তো করতে হবে। তোমার চোখ ভাল থাকলে আমি এত কিছু ভাবতাম না।
‘‌শেষ পর্যন্ত তোমাকে লোকের বাড়ি গিয়ে কাজ করতে হবে।’‌ অধীরবাবুর বুকের ভেতর থেকে আর্তনাদের মতো কথাগুলো বেরিয়ে আসে। 
অধীরবাবুর কাঁধের ওপর হাতটা রাখে রমা। ‘‌তুমি ওরকম ভাবছো কেন?‌ এতদিন তুমি লোকের বাড়িতে গিয়ে ছাত্র পড়াতে। সেটা তো কোনও অসম্মানের কাজ ছিল না। তা ছাড়া এখন ওসব কথা ভেবে লাভ নেই। তোমার চোখটাও ডাক্তারকে দেখানো দরকার।’‌
শেকলে বাঁধা জন্তুর মতো গুমরে ওঠেন অধীরবাবু। ‘‌আমার জন্যেই তোমাদের জীবনটা নষ্ট হয়ে গেল। কেন যে লেখক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম নিজেই জানি না। চেষ্টা করলে একটা সরকারি চাকরি নিশ্চয়ই পেয়ে যেতাম। বাঁধা মাইনে। অবসর নেওয়ার পর পেনশন। আমি মারা গেলে তুমি টাকা পেতে। তুমি না থাকলে মেয়েটা টাকা পেত। এখন মনে হচ্ছে গোটা জীবনের হিসেবটাই ভুল হয়ে গেল।’‌
‘‌এখন আর ও সব কথা ভেবে কী লাভ। তুমি বসো। আমি চা নিয়ে আসি।’‌
চলে যায় রমা। পাথরের মূর্তির মতো স্থির হয়ে বসে থাকেন অধীরবাবু। রাত বাড়ে। উঠে পড়েন অধীরবাবু। দোতলায় সিঁড়ির ঘরের পাশে তাঁর পড়ার ঘর। টেবিল, চেয়ার, একটা বইয়ের আলমারি রেখে হাত খানেক জায়গাও খালি নেই। তবু এই ঘরটায় এলে নিজেকে যেন খুঁজে পান অধীরবাবু। একটুকরো জানলা দিয়ে বাইরের আকাশটা চোখে পড়ে। একটা তারা জ্বল জ্বল করছে। তারাটার দিকে তাকিয়ে কেমন যেন আনমনা হয়ে যান। নিজের জীবনের স্বপ্ন কল্পনা, চেয়েছিলেন লেখক হতে। গোটা দেশের মানুষ তাঁর লেখা পড়বে।
তাঁদের ভালবাসার মধ্যেই বেঁচে থাকবেন। তিনি তো ভালই লিখতেন। কিন্তু ভাগ্য দেবতা বিরূপ হলে কিছুই করবার থাকে না। এখন আর যা পাননি তার জন্যে কষ্ট হয় না। কষ্ট হচ্ছে অসহায়ের মতো তাঁকে বসে থাকতে হবে আর রমা কাজের জন্যে লোকের বাড়ি যাবে।
অনেকক্ষণ বলেছিলেন। মেয়ের ডাক শুনতে পেলেন। ‘‌বাবা খেতে এসো।’‌
উঠে পড়লেন অধীরবাবু। রাতে বেশি কিছু খান না। দু’‌খানা রুটি আর একটু তরকারি। টেবিলে এসে বসলেন। অনেক দিনের টেবিল। বহু জায়গায় গর্ত হয়ে গিয়েছে। খাবার পড়লে তুলতে অসুবিধে হয়। একটা প্লাস্টিক পাতা থাকে। তার খানিকটা জায়গা ছিঁড়ে গেছে। সেখানে কাগজ পেতে দিয়েছে রমা। অধীরবাবুর একটা নেশা আছে পুরনো কাগজ দেখলে খুঁটিয়ে পড়েন। ছেঁড়া টুকরো কাগজ হলেও আগে পড়ে নিয়ে তারপর ফেলেন।
খেতে খেতে কাগজটা দেখছিলেন। টুকরো টুকরো খবর। বেশির ভাগই রাজনীতির। নীচের দিকে একটা বক্সের মধ্যে লেখাটার দিকে চোখ পড়তেই থমকে গেলেন। ছোট গল্প প্রতিযোগিতা। খাওয়া বন্ধ করে ঝুঁকে পড়লেন অধীরবাবু। ‘‌সারস্বত সাংস্কৃতিক পরিষদ সর্বভারতীয় এক ছোট গল্প প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। গল্পের বিষয় ‘‌মানবিকতা’‌। প্রথম পুরস্কার ত্রিশ হাজার টাকা। দ্বিতীয় পুরস্কার কুড়ি হাজার টাকা। তৃতীয় পুরস্কার দশ হাজার টাকা। লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৯ এপ্রিল। ঠিকানা ২ বলরাম দাস লেন। কলকাতা–‌১৩।’‌
লেখাটা কয়েকবার পড়লেন। দেওয়ালে টাঙানো ক্যালেন্ডারের দিকে তাকালেন। সব কেমন ঝাপসা লাগে। বললেন, আজ কত তারিখ বলো তো রমা?‌
‘‌হঠাৎ তোমার তারিখের কী প্রয়োজন হল?‌’‌
একটু জোরেই অধীরবাবু বললেন, দরকার আছে।
উঠে যায় রমা। ক্যালেন্ডার দেখে। ‘‌আজ আঠারোই এপ্রিল।
‘‌কালই লেখা জমা দেওয়ার শেষ দিন। আর একটা দিন আগে যদি বিজ্ঞাপনটা দেখতেন।’‌ বুকের মধ্যে চাপা যন্ত্রণা গুমরে ওঠে। অনেক টাকা পুরস্কার দিচ্ছে। নিজের লেখার ওপর বিশ্বাস আছে। পক্ষপাত না হলে একটা পুরস্কার নিশ্চয়ই পাবেন।
খাওয়া শেষ হয়ে গিয়েছিল। উঠে পড়লেন অধীরবাবু। দশটা বাজে। মনের মধ্যে একটা অস্বস্তি খচখচ করছে। ঘরে এসে বসলেন। পাশের ঘরে মা আর মেয়ে শোয়। খানিক পরেই রমা আসে।
‘‌তুমি এখনও বসে আছো?‌’‌
‘‌এইবার শোব।’‌
শুয়েও স্বস্তি পান না অধীরবাবু। যদি কুড়ি হাজার টাকাও পেতেন। চারটে মাস নিশ্চিন্তে সংসারটা চলে যেত। মানবিকতার ওপর কোনও গল্প লেখা নেই। আগের দিন হলে.‌.‌.‌। কথাটা মনে হতেই ধড়মড় করে উঠে পড়লেন। কাল লেখা জমা দেওয়ার শেষ দিন। এখনও তো অনেক সময় আছে। এ তো উপন্যাস নয়। ছোট গল্প। রাতেই লিখে ফেলতে পারবেন।
পাশেই শুয়েছিল রমা। ‘‌কী হল?‌’‌
‘‌একটা লেখা। আজ রাতেই শেষ করতে হবে।’‌
বিরক্ত হয় রমা।’‌ এই লেখা লেখা করেই নিজের জীবনটা শেষ করলে, আমাদের জীবনটাও শেষ করলে।’‌
কোনও জবাব দিলেন না অধীরবাবু। দোতলায় লেখার ঘরে উঠে এলেন। ঘরের জানলাটা খুলে দিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকেন। একটা ঘটনা, অনেক বছর আগে কারও কাছে শুনেছিলেন। বন্যায় সব হারানো এক মানুষের কথা। লিখব লিখব করেও লেখা হয়নি। টিউবলাইট জ্বলছে তবু টেবিলল্যাম্প জ্বেলে নিলেন। একটানা বেশিক্ষণ লিখতে পারেন না। মিনিট দশেক লিখতেই চোখে জল ভরে আসে। চোখটা বন্ধ করে বেশ কিছুক্ষণ বসে থাকেন। একটু স্বাভাবিক হতেই আবার লিখতে আরম্ভ করলেন। এখন আর আগের মতো তাড়াতাড়ি লিখতে পারেন না। হাত কাঁপে। একটু একটু করেই গল্প এগোয়। চোখ দুটো টনটন করে। ঘড়ির দিকে তাকালেন। বারোটা বাজে। মাত্র পাঁচটা পাতা লিখেছেন। আরও অন্তত সাত–আট পাতা লিখতে হবে। ডাক্তার বার বার চোখের ওপর চাপ দিয়ে কাজ করতে বারণ করে দিয়েছেন। আজ ডাক্তারের কথা শুনলে লেখা হবে না। চোখটা বন্ধ করে চেয়ারে হেলান দিয়ে বসলেন। কখন ঘুম এসে গিয়েছিল। আচমকা খসখস আওয়াজে ঘুমটা ভেঙে গেল। বই–‌এর তাকের পিছনে দুটো টিকটিকি মারামারি করছে।
কয়েক বছর আগেও রাত জেগে লিখতেন। এখন আর পারেন না। চোখে–মুখে জল দিলেন। রাতের মধ্যে লেখাটা শেষ করতেই হবে। যতটা লিখেছেন পড়ে ফেললেন। ভালই হয়েছে। আস্তে আস্তে লেখেন। চোখটা একেবারে ঝাপসা হয়ে আসছে। চোখ–কপাল জুড়ে যন্ত্রণা হচ্ছে। আর দু’‌এক পাতা হয়তো লিখতে হবে। ওইটুকু কাল সকালে লিখে ফেলবেন। আলোটা নিভিয়ে নীচে নেমে এলেন।
অন্য দিনের চেয়ে একটু দেরি করেই ঘুম ভাঙে। চোখ খুলতেই বুঝতে পারলেন তাকাতে কষ্ট হচ্ছে। মনে পড়ে গেল গত রাতে গল্পটা শেষ হয়নি। যত কষ্টই হোক সকালেই শেষ করে ফেলতে হবে।
রমা চা নিয়ে আসে। ‘‌তোমার চোখ দুটো ফুলেছে। নিশ্চয় কাল রাতে লিখেছ?‌’‌
 অধীরবাবু আমতা আমতা করেন। ‘‌একটা গল্প আজই জমা দিতে হবে। ভাল টাকা পুরস্কার দিচ্ছে।’‌
রমা রেগে ওঠে, সারা জীবন অনেক পুরস্কার পেয়েছ। এবার অন্ধ হয়ে বড় পুরস্কার পাবে।’‌
কোনও জবাব দেন না অধীরবাবু। উঠে এলেন ছাদের ঘরে। জানালা দিয়ে এক ফালি রোদ এসে পড়েছে ঘরের মধ্যে। লিখতে কষ্ট হচ্ছে। প্রায় চোখ বুজেই লেখেন। নীচে থেকে দু’‌বার মেয়ের গলা পেলেন। সাড়া দেন না। লেখা শেষ না করে উঠবেন না। একটা পুরস্কার তাকে পেতেই হবে।
ঘড়িতে দশটা বাজে। লেখা শেষ হয়। কাগজগুলো গুছিয়ে ফেলেন অধীরবাবু। তৃপ্তির আনন্দে মনটা ভাল লাগে। তিনি শেষ পর্যন্ত পেরেছেন।
রান্নাঘরে ছিল রমা। দরজার সামনে গিয়ে অধীরবাবু বললেন, আমি একটু বেরোব।
‘‌কোথায় যাবে?‌’‌
ঠিকানাটা মনে করতে পারলেন না অধীরবাবু। তাড়াতাড়ি বললেন, তুমি ভাল কথা মনে করিয়ে দিয়েছ। কাল রাতে খাওয়ার টেবিলে যে কাগজটা পেতেছিলে সেটা দাও তো।
‘‌সে কাগজে কি আছে, না খুকু ফেলে দিয়েছে দেখছি।’‌
দরজার পাশে দুমড়ানো–মোচড়ানো অবস্থায় পড়েছিল কাগজটা। টেবিলের ওপর পেতে সমান করে নিলেন অধীরবাবু। ঠিকানাটা দেখে নিলেন। আর ভুল হবে না। তবু কাগজটা সঙ্গে রাখা ভাল।
বাস থেকে নেমে একজনকে জিজ্ঞাসা করলেন, বলরাম দাস লেনটা কোন দিকে হবে?‌
’‌সামনে এগিয়ে যান। প্রথম চৌমাথা পার হয়ে দ্বিতীয় চৌমাথায় গিয়ে ডান দিকে যে রাস্তা গিয়েছে সেটাই বলরাম দাস লেন।’‌
বাড়িটা খুঁজে পেতে অসুবিধে হল না। রাস্তার ধারেই একতলা বাড়ি। দেওয়ালের গায়ে লেখা ‘‌সারস্বত সাংস্কৃতিক পরিষদ’‌। নিশ্চিন্ত হলেন অধীরবাবু। তিনি ঠিক জায়গাতেই এসেছেন। দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই অনুভব করলেন বুকের মধ্যে চাপা উত্তেজনা। যদি শেষ পর্যন্ত পুরস্কার না পান। নিজের কষ্টের কথা ভাবেন না, রমার জন্যে বড় কষ্ট হয়।
ঠেলা দিতেই দরজা খুলে গেল। মাঝবয়সি একজন ভদ্রলোক কিছু করছিলেন। অধীরবাবুকে দেখেই বললেন, কী দরকার বলুন?‌
‘‌একটা লেখা এনেছিলাম।’‌
‘‌ভেতরে আসুন।’‌
ঘরে ঢোকেন অধীরবাবু। আস্তে আস্তে ব্যাগ থেকে লেখাটা বার করে বললেন, এই লেখাটা জমা দেব।
ভদ্রলোক অবাক গলায় বললেন, আপনার কথা ঠিক বুঝতে পারলাম না। কীসের লেখা?‌
তাড়াতাড়ি খবরের কাগজটা বার করলেন অধীরবাবু। ‘‌এই দেখুন আপনারা বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। আজ লেখা জমা দেওয়ার শেষ দিন।’‌
ভদ্রলোক কাগজটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকেন। তারপর অধীরবাবুর দিকে চেয়ে বললেন, ‘‌আপনি উনিশ তারিখটা দেখেছেন, সালটা দেখেননি। এটা গত বছরের কাগজ। আমাদের সারস্বত সাংস্কৃতিক পরিষদের পঞ্চাশ বছর উপলক্ষে গল্প প্রতিযোগিতা হয়েছিল। এই বছর কিছু হয়নি। আপনার ভুল হয়ে গেছে।’‌
ভদ্রলোক আরও কিছু বললেন। কিছুই শুনতে পেলেন না অধীরবাবু। বোবা শূন্যদৃষ্টি মেলে প্রাণহীন জড় পদার্থের মতো স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top