আজকাল ওয়েবডেস্ক: পাঁচ দফা শেষ হয়েছে। এখনও তিন দফার ভোট বাকি। আর এই পরিস্থিতিতে কার্যত আত্মবিশ্বাসী বিজেপির রাজ্য সভাপতি। পঞ্চম দফা ভোটের পরের দিন প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে তিনি বলেন, 'মোট ১৮০ আসনে ভোট হয়েছে এর মধ্যে আমরা ১২৫ আসন পাব এখনও পর্যন্ত।' 

দিলীপ ঘোষ বলেন, 'একেবারে হিসাব করে ২০০ সিটে যেরকম চেয়েছিলাম, সেরকম ইলেকশন হচ্ছে। যারা চাইছে আমাদের হারাবে তারা এখন ছেড়ে দিতে পারলে বাঁচে। ওঁদের অনেকেই বলছে একসঙ্গে করে দাও আমরা সভা করব না। কেউ না এলে সভাটা করবে কি করে! মিটিং করতে হলে খরচা আছে। বক্তারা তথা নেতারা কেউ বের হচ্ছে না, তাই বলছে সব গুটিয়ে দাও রেজাল্ট হয়ে গেছে! টাইমটা তো পুরো করতে হবে।'

এরই পাশাপাশি শান্তি-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা পুলিশের কাজ বলে দাবি করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, সেন্ট্রাল ফোর্সের কাজ শান্তিপূর্ণভাবে  ইলেকশন করানো। তারা সেই ভাবেই ভোট করাচ্ছে। না হলে ৮০ শতাংশ এর বেশি ভোট হত না। আর শহরতলিতে যে জায়গাগুলো গুন্ডা দিয়ে লোককে ভয় দেখিয়ে ভোট করানো হতো, সেখানে এবারও ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু এবারে আর মানুষ ভয় পাচ্ছে না। বাহিনী ঠিকঠাক ভাবেই পরিচালনা করছে। সেই জন্যই ঝামেলা হচ্ছে না। যেখানে পুলিশের এক্তিয়ার রয়েছে সেখানে গন্ডগোল হচ্ছে। কারণ, পুলিশ গুন্ডাদের পুরনো সম্পর্ক আছে। আগের বোঝাপড়া থাকায় তাঁরা কিছু বলতে পারছে না। 

পুলিসের সামনেই বাড়িঘর ভেঙে দিচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বলে এদিন অভিযোগ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। ক্যামেরার সামনে ওরা ভাঙছে আর পুলিস জানতে পারছে না। তবে এসবেও কিছু হবে না। সারা দুনিয়াকে দেখাতে চাই বিজেপির প্রোগ্রাম হবে এবং আমরা বড় বড় ঝান্ডা লাগাব।'

Back To Top