আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ কাঠবেড়ালিকে পেয়ারা বা গুড় মুড়ি দেওয়া হয়নি ঠিকই, তবে ওদের জন্য নারকেলের মালায় করে রাখা হয়েছে নানা রকম বাদাম, ফলের টুকরো আর জল। গাছের ডালে দড়ি দিয়ে বেঁধে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে সেই মালা।  যাতে ওরা ঘুরতে ফিরতে যখন ইচ্ছে এসে খেয়ে যেতে পারে। শুধু কাঠবেড়ালিরাই নয়, এই ভোজে ভাগ বসাবে রাজ্যের পাখিও। ফল আর জল খাবে ওরা।
কিন্তু এই মহাভোজের ব্যবস্থা করল কারা? সংবাদ সংস্থা এ এন আই জানিয়েছে, দক্ষিণ কর্নাটকের একটি সরকারি স্কুলের কচি কাঁচারা নিয়েছে এই অভিনব উদ্যোগ। স্কুল চত্বর–এর গাছে, গাছে ঝুলছে এমন বেশ কয়েকটি নারকেলের মালা, যাতে দৈনিক খাবার–দাবার জোগাড় করে রেখে দেয় তারা, সঙ্গে জল।

যেই সেখানে পাখি আর কাঠবেড়ালি আসে, ওদের চোখে মুখে আনন্দ আর ধরে না।
ওই স্কুলের প্রিন্সিপালও ছাত্রদের জন্য খুব গর্বিত। তিনিই ওদের আরও উৎসাহ দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ছাত্রদের উদ্দীপনা দেখার মতো। সারা দিন কত রকম পাখি যে আসে। স্কুলের পরিবেশটাই বদলে গেছে। তিনি আরও জানান, ছেলেপুলেরা যাতে পরিবেশ সচেতন হয়, স্কুল চত্বর পরিষ্কার রাখে আর সবুজায়নে আন্তরিক হয়, সেব্যাপারে তিনিই উৎসাহ দিয়েছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই স্কুলের বাচ্চাদের অভিনব উদ্যোগের কথা ও ছবি ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনরা বাহবা দিচ্ছেন। টুইটারে এক জন লিখেছেন, দারুন কাজ। ওদের ধন্যবাদ প্রাপ্য। আর একজনের মন্তব্য, এই ছোট ছোট উদ্যোগ থেকেই পরিবেশ রক্ষার বড় কাজের সূচনা হতে পারে। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top