আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ঘুরতে ঘুরতে দেশের সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী দেশে ঢুকে পড়েছিল পেনকা। সেই অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাকে। সীমান্ত পেরিয়ে যাওয়ার সময় গর্ভবতী ছিল সে। তবুও রেহাই মিলছে না তার। পেনকার 'অপরাধ' সে মানুষ নয়। একটি গরু। সেই কারণেই মৃত্যুদণ্ডের সামনে পড়তে হয়েছে তাকে।সার্বিয়ার সীমান্ত লাগোয়া কোপিলোভতসি গ্রাম থেকে ঘাসজমিতে চরতে চরতে সীমান্ত অতিক্রম করে বুলগেরিয়ায় ঢুকে পড়ে সে। সেখানে সন্তানের জন্মও দেয় সে। এর মধ্যে কেটে গিয়েছে তিন সপ্তাহ। ততদিনে পেনকা খুঁজে পান সার্বিয়ার ইভান হারালামপিয়েভ। কিন্তু তাকে বুলগেরিয়া থেকে ফেরত আনতে গেলে বাধ সাধেন সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আধিকারিকরা। সে দেশের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও পশুকে বাইরের দেশ থেকে নিয়ে আসতে গেলে প্রবেশের আগে তার পরীক্ষা করানো দরকার। এও দেখা দরকার সে কোনও মারাত্মক জীবাণু বহন করছে কি না। না হলে জীবাণু ছড়ানোর আগেই তাকে হত্যা করে ফেলার নিয়ম রয়েছে। যদিও ইভানের দাবি, তার গরুটি সম্পূর্ণ সুস্থ। কিন্তু সে কথা মানতে রাজি নয় বুলগেরিয়া সরকার। তাই পেনকা–কে হত্যা করতে চায় তারা। পেনকাকে বাঁচাতে একটি অনলাইন পিটিশন চালু করা হয়েছে। পশুপ্রেমীরা চান, যাতে পেনকার ক্ষেত্রে আইনের ব্যতিক্রম হয়। 

জনপ্রিয়

Back To Top