সুনীল চন্দ, রায়গঞ্জ: যার দর্শন পেতে ছুটে যেতে হয় দার্জিলিঙে, তারই কিনা দেখা মিলল ২০০ কিমি দূরের রায়গঞ্জ শহর থেকে। এর আগে হঠাৎ করে দু–একবার দেখা মিললেও, এতটা স্পষ্ট করে রায়গঞ্জ থেকে দেখা মেলেনি কাঞ্চনজঙ্ঘার। হৈমন্তী সন্ধেয় রায়গঞ্জের মানুষ যখন কোজাগরী পূর্ণিমার উজ্জ্বল চাঁদ দেখবে বলে মুখিয়ে, তার আগেই কিনা এ শহর থেকে দেখা মিলল বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গের। এদিন সূর্যের আলোর ছটায় কাঞ্চনজঙ্ঘা অপরূপা হয়ে ধরা দিয়েছে রায়গঞ্জবাসীর কাছে। করোনা আবহে এর চেয়ে আর বড় পাওয়া কী হতে পারে?‌ তাই এদিন কাঞ্চনজঙ্ঘাকে নাগালে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন মানুষ। খবর জেনে ভিড় বাড়তে থাকে শহরের শিলিগুড়ি মোড়, কর্ণজোড়া, কুলিক পাখিরালয়, রায়গঞ্জ রেল স্টেশন, সোহারই মোড় এবং শহরের বহুতল বাড়িগুলিতে। শুধু রায়গঞ্জ শহরই নয়, কাঞ্চনজঙ্ঘাকে দেখা গেছে ইটাহার, করণদিঘি, গোয়ালপোখর, ইসলামপুর, চোপড়া থেকেও। হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কৌশিক ভট্টাচার্য জানান, ২০১৩ সালের পর এ বছর খুব ভালভাবে দেখা গেল কাঞ্চনজঙ্ঘাকে। লকডাউনের কারণে দূষণের মাত্রা কম থাকায় আকাশ পরিষ্কার, তাই এত ভালভাবে দেখা গেছে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে।

জনপ্রিয়

Back To Top