আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌  সারা দেশে ১৪ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত লকডাউন। বন্ধ যাবতীয় কাজকর্ম, দোকানপাট। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়া কোনও কিছুর দোকানই খোলা নেই। এই অবস্থাতেও এলাকা পরিষ্কার রাখতে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন সাফাইকর্মীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে নিজেদের নিজেদের পুর এলাকা পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব পেয়েছে রাজ্যের সব কটি পুরসভা এবং পুরনিগম। সেই মতো সকাল থেকেই স্থানীয় কাউন্সিলরদের নেতৃত্বে চলছে এলাকা সাফাই অভিযান। শুধু জঞ্জাল বা আবর্জনা পরিষ্কার করাই নয়, নিয়মিত নয়ানজুলি সাফাই, ব্লিচিং পাউডার ছড়ানো এবং মশা–পোকামাকড় মারার তেল স্প্রে করার কাজও করছেন সাফাইকর্মীরা। রাস্তাও ধোয়া হচ্ছে নিয়মিত। শিলিগুড়ি পুরসভা কর্পোরেশনের দুই সাফাইকর্মী জানালেন, সঙ্কটের সময় নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে পেরে তাঁরা যথার্থই খুশি।

তবে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই প্রত্যেক সাফাইকর্মী, আশা এবং আইসিডিএস কর্মী, পুলিশকর্মী, স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের দেওয়া হয়েছে মাস্ক, গ্লাভস্। যাতে এই জরুরি পরিষেবার মানুষদের কোনওরকম সমস্যার মুখোমুখি না হতে হয়। শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র অশোক ভট্টাচার্য জানালেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যে সাফাইকর্মীরা কাজ করছেন তাঁদের সুরক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে পুরসভা। সেই মতো তাঁদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাঁরা যে প্রতি মাসে ১০ কেজি করে চাল পেত তা বাড়িয়ে ১৫ কেজি করা হয়েছে। নিয়মিত সাফাইকর্মী ছাড়াও এই সঙ্কটের সময় আরও ২০০০ অস্থায়ী সাফাইকর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদেরও একই হারে বেতন দেওয়া হবে বলে জানালেন মেয়র। 
ছবি:‌ এএনআই  ‌

জনপ্রিয়

Back To Top