অর্ঘ্য দে, শিলিগুড়ি, ১৫ জুলাই- বাবা মানেই এমন এক শক্ত খুঁটি, যার ওপর পাহাড়সম দায়িত্ব আর সাগরসম মমতায় গড়ে ওঠে সন্তানের পরম নির্ভরতার ছাউনি। বাবা ও তার সন্তানের চিরন্তন এই অমৃতবন্ধন নিয়েই নেপালি চলচ্চিত্র ‘‌আপ্পা’‌। গোর্খাদের ভাষায় বাবা–কে আপ্পা বলেই সম্বোধন করা হয়। এই ‘‌আপ্পা’‌ এখন পাহাড় থেকে সমতল সর্বত্র তার ছাপ রেখে চলেছে। কালিম্পঙের নেপালি চিত্র পরিচালক অনমোল গুরুংয়ের নির্দেশনায় পাহাড়ের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে তৈরি হয়েছে এই সিনেমা। অভিনয় করেছেন বাঙালিরাও। 
এখানে বাবা নেপালি ভাষী এবং ছেলে বাঙালি। বাঙালি ছেলে সিদ্ধার্থ তার মা–বাবার সঙ্গে দার্জিলিং বেড়াতে আসে। সেখান থেকে গন্তব্য সান্দাকফু। ল্যান্ড রোভারের চালক বিখ্যে তাদের নিয়ে যায়। যাওয়ার পথে গাড়ি দুর্ঘটনা। বাঙালি পরিবারের সবাই মারা যান। বেঁচে থাকে ছোট্ট সিদ্ধার্থ এবং গাড়ির চালক বিখ্যে। এরপর বিখ্যের কাছেই বড় হয়ে ওঠা সিদ্ধার্থের। সিদ্ধার্থ এবং বিখ্যের মধ্যে বাবা–ছেলের সম্পর্ক নিয়ে তৈরি নেপালি সিনেমা ‘‌আপ্পা’‌। ছোট্ট সিদ্ধার্থের ভূমিকায় অভিনয় করেছে শিলিগুড়ির বাসিন্দা রনিত সরকার এবং সিদ্ধার্থ বড় হলে তার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিদ্ধান্ত রাজ তামাং। এছাড়াও অভিনয় করেছেন সম্রাট বিশ্বাস, সুচেতা দাস। গাড়ির চালক বিখ্যের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নেপালের বিশিষ্ট অভিনেতা দয়াহঙ রাই। ছবির পরিচালক জানান, ‘‌এই সিনেমা বিভিন্ন জায়গায় দেখানো হচ্ছে। বিদেশেও কিছু কিছু জায়গায় চলছে। উত্তরবঙ্গ থেকে এমন সিনেমা যা বহু জায়গায় সাড়া ফেলেছে, এটা আমাদের কাছে খুব ভাল অভিজ্ঞতা।’‌

অনমোল গুরুং নির্দেশিত নেপালি ছবি আপ্পার পোস্টার। ছবি:‌ সংগৃহীত

জনপ্রিয়

Back To Top