অর্ঘ্য দে, শিলিগুড়ি, ১৬ মার্চ- বিদেশি পর্যটকদের ওপর আগেই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। মঙ্গলবার থেকে দেশীয় পর্যটকরাও আর সিকিমে যেতে পারবেন না। সিকিমের সমস্ত পাব, রেস্তোরাঁ, শপিং মল, সিনেমা হল বন্ধ থাকছে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। রোজই সমতল থেকে বহু মানুষ গ্যাংটকে যান কাজের জন্য। ফলে সমস্যায় পড়তে হবে। 
এদিকে সিকিম ভ্রমণের উদ্দেশে যাঁরা ইতিমধ্যেই শিলিগুড়ি পৌঁছে গেছেন, তাঁদের দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং কিংবা ডুয়ার্সে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সমস্যায় পড়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। সিকিমে ভাল চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। তাই করোনার থাবা থেকে সুরক্ষিত থাকতেই এমন সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং (‌গোলে)। নাথুলার জন্য বন্ধ আছে পারমিট। জোর ধাক্কার মুখে সিকিমের পর্যটন। 
এই পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছে পর্যটন সংগঠনগুলি। এই বিষয়ে সোমবার হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্ক (‌এইচএইচটিডিএন) সংগঠনের সদস্যরা কেন্দ্রের পর্যটন মন্ত্রকের আঞ্চলিক অধিকর্তা (‌পূর্ব)‌‌ সাগ্নিক চৌধুরির সঙ্গে দেখা করেন। আঞ্চলিক অধিকর্তার মাধ্যমে কেন্দ্রের কাছে চার দফা দাবি পেশ করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, এই কঠিন পরিস্থিতিতে পর্যটন শিল্প থেকে জিএসটি মকুব করা হোক। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত সদস্য ও কর্মীদের যে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে, সেখান থেকে তাঁদের উদ্ধার করতে আর্থিক অনুদান দেওয়ার দাবিও জানানো হয়। পাশাপাশি পর্যটন শিল্প থেকে কর্পোরেট করেও ছাড়ের দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পর্যটন ব্যবসায়ী সম্রাট সান্যাল বলেন, ‘‌এই মুহূর্তে ব্যবসা থেকে মানুষের জীবনটা আগে। আমরা এ বিষয়ে দার্জিলিঙের সাংসদের সঙ্গেও কথা বলব। আমরা এর আগেও পাহাড়ে ১০৭ দিনের বন্‌ধ সামলে উঠেছি। আশা করছি, এই ধাক্কাও আমরা সামলে উঠব।’‌
 

জনপ্রিয়

Back To Top