পঙ্কজ সরকার, মালদা: চকোলেটের লোভ দেখিয়ে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক প্রৌঢ়ের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, শিশুটির গোপনাঙ্গে আঘাতের ফলে রক্তপাতও হতে থাকে। রক্তাক্ত অবস্থায় আক্রান্ত শিশুটি বাড়িতে এলে বুঝতে পারে‌ন পরিবারের লোকেরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয়েছে মালদা মেডিক্যালে। এখন কিছুটা সুস্থ হলেও দুশ্চিন্তায় ও আতঙ্কে রয়েছে পরিবারের লোকেরা। 
বামনগোলা থানার চাঁদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের যদুবাটির ঘটনা। সোমবার সকালের দিকে শিশুটি বাড়ির পেছনে প্রস্রাব করতে যায়। ওই সময় অভিযুক্ত ধরণী মণ্ডল (‌৫৫)‌ তার কাছে আসে। তাকে চকোলেটের লোভ দেখিয়ে বাড়ির পাশের পোলট্রি ফার্মে নিয়ে যায়। একটি টিনের ঘরে নিয়ে গিয়ে নারকীয় কাণ্ডটি ঘটায় সে। শিশুটি স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। বাবা ভিনরাজ্যে মজুরের কাজ করেন। তিনি এখন রয়েছেন বেঙ্গালুরুতে। শিশুটির কাকা অভিযোগ করে বলেন, ‘‌অভিযুক্ত ধরণীর নামে এর আগেও অনেক অভিযোগ রয়েছে। গ্রামে এর আগেও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ভয় দেখিয়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। ওর ভয়ে সবাইকে তটস্থ থাকতে হয়। ও একরত্তি শিশুটিকেও ছাড়েনি। ওর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’‌  
আশঙ্কাজনক অবস্থায় মেয়েটিকে আগে বামনগোলা থানায় নিয়ে আসা হয়। শিশু–‌‌র মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে শিশুটিকে মালদা মেডিক্যালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছে নির্যাতিত শিশুটি। পুলিস সোমবারই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলেও নিশ্চিন্তে থাকতে পারছেন না পরিবারের লোকেরা। ওই শিশুটির মা জানান, ‘‌মেয়েটি যন্ত্রণায় সারা রাত ঘুমতে পারেনি। গোপনাঙ্গ দিয়ে প্রচুর রক্তপাত হয়েছে। খুব দুর্বল হয়ে পড়েছে। এমন ঘটনা আমরা স্বপ্নেও ভাবতে পারি না। কী করে মেয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে আমাদের।’‌ মঙ্গলবার অভিযুক্তকে জেলা আদালতে তোলা হয়।

জনপ্রিয়

Back To Top