অলক সরকার,শিলিগুড়ি: পাহাড়ে তখন উথালপাথাল পরিস্থিতি। বন্‌ধ, হিংসা, খুন, জখম, রক্তারক্তির পরেও প্রায় চুপ থাকতে দেখা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। পাহাড়ের পথ মাড়াননি খোদ দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। কিন্তু লোকসভা ভোট এগিয়ে আসতেই পাহাড় নিয়ে ফের আলোচনার জন্য কোমর বাঁধতে শুরু করল কেন্দ্র। লম্বা সময় পর শিলিগুড়ি এসে সাংসদ জানালেন, সেপ্টেম্বর মাসেই পাহাড় নিয়ে সচিব পর্যায়ে বৈঠক ডাকতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। শুধু তাই নয়, ইউএপিএ মামলায় অভিযুক্ত ফেরার বিমল গুরুংয়ের পক্ষে সাফাইও দিয়ে গেলেন একের পর এক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বললেন, বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে তাঁর সর্বক্ষণ যোগাযোগ হয় এবং গুরুং দার্জিলিং–‌ডুয়ার্সেই আছেন।‌ সাংসদের এই বক্তব্যের পর ফের দার্জিলিঙের রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গেছে। রাজনৈতিক মহলের দাবি, দেশদ্রোহিতার মামলায় যিনি অভিযুক্ত, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ আছে, এই কথা বলে নিজেই বিতর্কে ডেকে আনলেন আলুওয়ালিয়া। গুরুংকে মদত দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার, এমন অভিযোগ বারবারই উঠে আসছিল।

স্বয়ং আলুওয়ালিয়াই তা কার্যত স্বীকার করে নিলেন।  
উল্লেখ্য, দু্’‌দিন আগে দার্জিলিঙের এক প্রতিনিধিদল দিল্লি গিয়েছিল। আলুওয়ালিয়া তাঁদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং ও উপজাতি উন্নয়নমন্ত্রী জুয়েল ওরামের সঙ্গে। সাংসদ জানিয়েছেন, এই প্রতিনিধিদলকে পাঠিয়েছেন বিমল গুরুং স্বয়ং। মূলত পাহাড়ের ১১ জনজাতিকে উপজাতি স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয় নিয়ে কথা হয়। সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই পাহাড় সমস্যা উঠে আসে। সাংসদ এদিন জানান, ‘গুরুংদের সঙ্গে একতরফা আচরণ করা হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সব একতরফাভাবে হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। কাউকে অসংবিধানিকভাবে মেরে ফেলতে দেব না। আমি আবারও বলছি, পাহাড়ের সমস্যা রাজনৈতিকভাবেই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। একই কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছি। তিনি বলেছেন সেপ্টেম্বরে সচিব পর্যায়ে বৈঠক ডাকবেন।’‌ 
এদিকে, বিনয় তামাংয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি নাম না করে তাঁকে ‘‌ল্যাংড়া ঘোড়া’‌ বলে কটাক্ষ করেন। বলেন, পাহাড়ের যাঁরা প্রলোভনে পা দিয়েছেন তাঁরাই ক্ষমতায় আছেন। যাঁরা নিজেদের আদর্শে 

জনপ্রিয়

Back To Top