আজকালের প্রতিবেদন
দূষিত বাতাসের জন্য দেশে প্রতি বছর ১০ লক্ষেরও বেশি অকালমৃত্যু ঘটে। বিশুদ্ধ বাতাসের প্রয়োজন নিয়ে অনলাইনে ‘‌ডক্টরস ফর ক্লিন এয়ার’‌–‌এর আলোচনায় উঠে এল এমনই তথ্য। রাস্ট্রসঙ্ঘের ‘‌ক্লিন এয়ার ফর ব্লু স্কাইজ’‌–‌এর প্রথম আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে দেশের সাতটি চিকিৎসক সংগঠন যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করেছিল।  সংগঠনগুলি হল, ফেডারেশন অফ অবস্টেট্রিক অ্যান্ড গাইনোকলোজিক্যাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া (এফওজিএসআই), ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (আইএপি), ইন্ডিয়ান চেস্ট সোসাইটি (আইসিএস), কার্ডিওলজিক্যাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া (সিএসআই), ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ নিউরোলজি (আইএএন), অ্যাসোসিয়েশন অফ সার্জনস অফ ইন্ডিয়া (এএসআই) এবং মেডিক্যাল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (এমএসএআই)। সভায় গর্ভবতী ও সদ্যোজাতদের ওপর দূষিত বাতাসের প্রভাব এবং একইসঙ্গে হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ও মস্তিষ্কের ওপর এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। এ প্রসঙ্গে দূষণ আটকাতে চিকিৎসকদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। করোনা থেকে মুক্ত হওয়ার পর সুস্বাস্থ্যের জন্য সরকার যাতে দূষণমুক্ত বাতাসের বিবেচনাকে সবরকম অগ্রাধিকার দেয় সে বিষয়েও সওয়াল করা হয়েছে আলোচনায়। 
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দূষিত বাতাসের জন্য বিশ্বে অকালমৃত্যু ঘটে ৭০ লক্ষ লোকের। ভারতে এই সংখ্যাটা ১০ লক্ষ ২০ হাজার। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পাবলিক হেলথ, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডিটারমিন্যান্টস অফ হেলথ ডিপার্টমেন্টের অধিকর্তা মারিয়া নাইরা বলেন, জীবাশ্ম থেকে তৈরি হওয়া জ্বালানি পোড়ালে সব থেকে বেশি পরিমাণে দূষণ ঘটে। এই দূষণে আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির ক্ষতি হয়। বক্তব্য পেশ করেন সিএসআই–‌এর সভাপতি ডাঃ মৃণালকান্তি দাস, এফওজিএসআই–‌এর সভাপতি ডাঃ  অল্পেশ গান্ধী, আইএপি–‌র সভাপতি ডাঃ বকুল পারেখ, আইসিএস–‌এর সভাপতি ডাঃ  ডিজে ক্রিস্টোফার, আইএএন–‌এর সভাপতি ডাঃ প্রমোদ পাল, এমএসএআই–‌এর সভাপতি পূর্বপ্রভা পাটিল এবং লাং কেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রাস্টি ম্যানেজার ডাঃ অরবিন্দ কুমার।‌

জনপ্রিয়

Back To Top