আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‘‌‌প্রাথমিকভাবে আমাদের লক্ষ্য, প্রথম ব্যাচে ১০ কোটি করোনা প্রতিষেধক উৎপাদন করা। যা বাজারে আসতে আসতে আগামী বছরের দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় ত্রৈমাসিক পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।’‌ বুধবার জানালেন সিরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান আদর পুনাওয়ালা। বলেন, ‘‌আমরা যদি জরুরি ভিত্তিতে ভ্যাকসিন অনুমোদনের জন্য আবেদন না করি, তাহলে আমাদের ট্রায়াল ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবার কথা। আর সেই ভাবে দেখলে, জানুয়ারিতেই ভ্যাকসিন বাজারে চলে আসতে পারে। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে ব্রিটেনের ট্রায়ালের ওপর। যদিও তা একেবারে শেষের পথে। ব্রিটেনের যদি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ট্রায়াল শেষ করে ফেলে এবং আমাদের তথ্য দিয়ে জানিয়ে দেয় যে এই ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ, তাহলে আমরা জরুরি ভিত্তিতে ভ্যাকসিন অনুমোদনের জন্য আবেদন করতেই পারি। অবশ্যই যদি সরকার চায়। আর সেই ভাবে দেখলে, অনুমোদন পেতে পেতে দু–তিন সপ্তাহ সময় লেগে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ডিসেম্বরেই ভ্যাকসিন হাতে পাওয়া সম্ভব। যদিও কী হবে না হবে, সেই সংক্রান্ত সমস্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক নেবে।’‌ 

 

অক্সফোর্ডের তৈরি করোনা টিকা ভারতে তৈরি করছে সিরাম ইনস্টিটিউট। অক্সফোর্ডের মতই ভ্যাকসিন তৈরি দৌড়ে মডার্না, ফাইজারের মতো ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিও অনেক এগিয়ে। গোটা বিশ্ব জুড়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৫০টির বেশি সম্ভাব্য করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চলছে। যাদের মধ্যে ৩৮টি হিউম্যান ট্রায়ালের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। সিরামের প্রধান জানান, ‘‌অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটির দু’‌টি ডোজ নিতে হবে। প্রথম ডোজ দেওয়ার পর ২৮ দিনের মাথায় আরও একটি ডোজ দেওয়া হবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই ভ্যাকসিন কতটা কার্যকরী হয়ে উঠবে, তা বুঝতে বুঝতে অন্তত এক থেকে দু’‌বছর সময় লেগে যেতে পারে। ভ্যাকসিনের দাম কত হবে, এখনই এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে এটুকু বলতে পারি, ১০০–২০০ টাকার মধ্যে দাম হবে। বাদ বাকি যা খরচপাতি, তা হয়ত সরকারই বহন করবে।’‌

জনপ্রিয়

Back To Top