আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। বাড়ছে আতঙ্কও। এই নিয়ে সরকার বহু প্রচার করলেও আখেরে লাভ খুব একটা হচ্ছে কি!‌ সতর্ক হওয়ার পরিবর্তে ছুৎমার্গই বাড়ছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে নজর নেই। বরং রোগী এবং তাঁর পরিবারকে একঘরে করে দেওয়ার প্রবণতাই মাথাচাড়া দিচ্ছে। এমনকী করোনার রোগীর মৃত্যুর পর শেষকৃত্য ঘিরেও চলছে তাণ্ডব। 
এবার ঘটনা জম্মুর ডোডা জেলার। স্থানীয়দের ঝামেলায় মাঝপথেই থামিয়ে দিতে হল দাহ। তার পর অর্ধদগ্ধ দেহ নিয়েই স্থানত্যাগ করতে হল পরিবারকে। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ স্থানীয়দের তাণ্ডব থামাতে সক্রিয় পদক্ষেপ করেনি। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অন্য জায়গায় হল শেষকৃত্য।
কোভিড–১৯–এ আক্রান্ত হয়ে মারা যান ডোডা জেলার ৭২ বছরের ওই ব্যক্তি। জম্মুতে তিনি চতুর্থ আক্রান্ত। ওই এলাকাতেই শেষকৃত্যের জন্য শ্মশানে তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী এবং দুই ছেলে। হঠাৎই খবর পেয়ে শ্মশানে চড়াও হয় স্থানীয়রা। মৃতের ছেলের অভিযোগ, পুলিশ সেভাবে কিছুই করেনি। অগত্যা অন্ত্যেষ্টি থামিয়ে অর্ধদগ্ধ দেহ নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে উঠে পড়েন তাঁরা। ফের জিএমসি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় দেহ। মৃতের ছেলের কথায়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং কর্মীরা অনেক সহায়তা করেছেন। 
পরে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে প্রশাসন। ভগবতী নগর শ্মশানঘাটে নিয়ে যাওয়া হয় দেহ। সেখানে অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার এবং সাব–ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সৎকার করা হয়। মৃতের ছেলের ক্ষোভ, প্রশাসনের কোভিড রোগীদের সৎকারের বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত। ঠিকঠাক পরিকল্পনা রাখা দরকার। নয়তো এভাবেই কোভিড রোগীর পরিবারকে হেনস্থার শিকার হতে হবে। 

জনপ্রিয়

Back To Top