সংবাদ সংস্থা, দিল্লি: শীতকালীন অধিবেশনের সূচনায় রাজ্যসভার মার্শালদের নতুন উর্দিতে দেখা গিয়েছিল। আগমার্কা সাদা বন্ধগলা ও পাগড়ির পরিবর্তে সেনার ব্রিগেডিয়ারদের মতো ভারীক্কি পোশাক। রং যদিও গাঢ় নীল। টুপিটিও হুবহু সেনা কর্তাদের ‘‌পিক ক্যাপ’‌–‌এর মতোই। তার সঙ্গে কাঁধে ‘স্ট্রাইপস’, বাঁ দিকে সোনালি দড়ি। অসামরিক ব্যক্তিদের সেনাবাহিনীর আদলের পোশাকে জোরালো আপত্তি ‌‌‌উঠেছে। 
প্রধান প্রতিবাদী প্রাক্তন সেনাপ্রধান, বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি কে সিং। তিনি টুইট করেন, ‘‌অসামরিক কাজে থাকা ব্যক্তিদের সেনার পোশাক নকল করে পরা বেআইনি এবং নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক। আশা করব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং রাজ্যসভা এর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।’‌
কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ জানতে চান, ‘‌সংসদে মার্শাল আইন চালু হল নাকি‌!’‌‌ অতঃপর আজ রাজ্যসভায় মার্শালদের পোশাক পরিবর্তনের আশ্বাস দিয়েছেন  চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু। জানিয়েছেন সচিবালয়কে তিনি এই বিষয়ে পুনর্বিবেচনার জন্য বলেছেন। 
পুরনো পোশাকে ফেরা নয়। চেয়ারম্যানের দু’‌পাশে দণ্ডায়মান দুই মার্শালের আর এক জোড়া করে নতুন পোশাকে দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, তুমুল হইহট্টগোল, ধস্তাধস্তি বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে, তবেই মার্শালদের সংসদে তলব করা হয়। স্পিকার বা রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের নির্দেশে তাঁরা অধিবেশনে বাধা দেওয়ার দায়ে অভিযুক্ত কোনও সাংসদ বা সাংসদদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার কাজ করেন। এটা মূলত লোকসভায়। 
রাজ্যসভা বা সংসদের উচ্চকক্ষে অবশ্য মার্শালদের কাজ অনেকটাই আনুষ্ঠানিক। অধিবেশন শুরুর সময় চেয়ারম্যানের সামনে মার্চপাস্ট করেন, তাঁদের পেছনে আসেন চেয়ারম্যান। তারপর অধিবেশন চালকালীন চেয়ারম্যানের কাজে সাহায্য করেন। ‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top