আজকাল ওয়েবডেস্ক: আরব সাগর থেকে ধেয়ে আসছে ‘‌বায়ু’‌। যার ফলে গুজরাট উপকূল থেকে প্রায় ৭০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দিল্লির হাওয়া অফিসের তরফে বলা হয়েছে, ঘূর্নিঝড় মারাত্মক আকার ধারণ করে বৃহস্পতিবার আছড়ে পড়তে চলেছে গুজরাট ও কচ্ছ উপকূলে। যার গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৪৫ থেকে ১৫৫ কিলোমিটার। মাটিতে আছড়ে পড়ার সময় সেই গতি বেড়ে হতে পারে ১৭০ কিলোমিটার। আরব সাগর থেকে জলীয় বাস্প সঞ্চয় করে মাটিতে আছড়ে পড়ার কারণেই এই ঝড়ের শক্তি বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু গুজরাট নয়, ঝড়টি আছড়ে পড়বে মহারাষ্ট্র উপকূলেও।
মাটিতে আছড়ে পড়ার পর ঝড় ক্রমে পোরবন্দর ও দিউয়ের দিকে সরে গভীর নিম্নচাপের আকার ধারণ করে সরে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। গুজরাটের উপকূল বরাবর, মোরবি, ভাবনগর, জুনাগড়, গির সোমনাথ, জামনগর, দ্বারকা, কচ্ছ, পোরবন্দর, রাজকোট ও আমরেলি জেলায় আগে থেকেই কাজ করছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। এলাকায় প্রায় ৪০টি বিপর্যয় মোকাবিলা দল কাজ করছে। আরও ছ’‌টি দলকে পাটনা এয়ারপোর্ট থেকে এয়ারলিফ্ট করে নিয়ে যাওয়ায় হয়েছে। মোট ৪৭টি দল গুজরাট উপকূলে কাজ করছে ও পাঁচটি দল দিউয়ে রয়েছে।  
হাওয়া অফিসের তরফে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় বায়ু খুব দ্রুত নিজের অবস্থান পাল্টেছে। দ্রুত আছড়ে পড়তে চলেছে গুজরাট উপকূলে। এর ফলে মহারাষ্ট্র, গোয়া সহ একাধিক উপকূলবর্তী রাজ্যে এর ফলে বিপুল বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। তবে ঝড়ের কারণে মৌসুমী বায়ুর গতিপথ আটকে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে দক্ষিণ ভারতে বর্ষা আসতে আরও কিছুটা দেরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কয়েকদিন আগেই ঘূর্নিঝড় ফণী আতঙ্ক তৈরি করেছিল পূর্ব উপকূলের বেশ কয়েকটি রাজ্যে। ওড়িশায় বিপুল শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়ার পর সেটি পশ্চিমবঙ্গ হয়ে চলে যায় বাংলাদেশে। ওড়িশায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top