আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এতদিন বারবার বলে আসছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। আর তা হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভেদের রাজনীতি করেন। যেখানে ভারতের সংস্কৃতি হল বহুত্ববাদ এবং ঐক্য। আরেসএসের মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই শিক্ষা দিয়ে এসেছিলেন প্রারক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। এবার লোকসভা নির্বাচন যখন মধ্যগগনে তখন প্রধানমন্ত্রীকে ‘‌ভারত ভাগ করার প্রধান’‌ বলে প্রচ্ছদে নিয়ে এলো বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন। যা নিয়ে গোটা দেশজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। 
শুধু তাই নয় এই ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে এভাবে মোদিকে চিহ্নিত করায় অস্বস্তি বেড়েছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের। আর সাথে সাথেই সিলমোহর পড়ে গেল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর করা দাবি সঠিক। তাছাড়া যদি এই সরকার আরও পাঁচ বছর থাকে ক্ষমতায় তাহলে এই অবস্থাই হবে বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিনটি। এই ম্যাগাজিনটি প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিরোধীদের পালা হাওয়া দিয়েছে। কংগ্রেসের মহিলা শাখা শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে টুইট করেছে, ‘‌সর্ববৃহৎ গণতন্ত্র এই প্রথম ভারতে জনপ্রিয়তায় পড়ল। আপনার সত্য এখন সবাই দেখতে পাচ্ছে।’‌ উল্লেখ্য, এখনও দু’‌দফার নির্বাচন বাকি রয়েছে। আর ফল ঘোষণা হবে ২৩ মে। তার মধ্যেই এই পর্যবেক্ষণ মোদির অস্বস্তি বাড়িয়ে দিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। 
টাইম ম্যাগাজিনে এই প্রতিবেদনটি লিখেছেন আতিশ তাসির। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্র আগে কখনও এভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েনি। একাধিক গণপিটুনির ঘটনা থেকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মুখ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ এবং ভোপালের প্রার্থী হিসাবে সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুরের হয়ে যেভাবে ব্যাট করা হয়েছে তা তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। আগেও মোদিকে নিয়ে প্রতিবেদন ও প্রচ্ছদ করেছিল এই ম্যাগাজিনটি। সেগুলি অবশ্য মোদির পক্ষেই। আর এবার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে যা প্রচ্ছদ হল তা ভাবিয়ে তুলেছে ১৯ মে’‌র নির্বাচনকে। কারণ সেদিন বারাণসী কেন্দ্রেও নির্বাচন। 

জনপ্রিয়

Back To Top