আজকালের প্রতিবেদন,দিল্লি:  রাফাল দুর্নীতি দেশের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি। মঙ্গলবার দিল্লির প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী যশোবন্ত সিংহ ও অরুণ শৌরি এবং আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ ফের এই অভিযোগ করলেন। তাঁদের বক্তব্য, দেশের নিরাপত্তা নিয়ে খেলা করছে মোদি সরকার। ১২৬টি রাফাল বিমান কেনার কথা থাকলেও কেন মাত্র ৩৬টি যুদ্ধবিমানের বরাত দেওয়া হল, এই প্রশ্ন তুলে তাঁরা বলেছেন, মোদি সরকার মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। রাফাল চুক্তির গোপনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তঁারা। তাঁদের বক্তব্য, সরকার প্রথমে বলেছিল চুক্তির গোপনীয়তা বজায় রেখে জনসমক্ষে কিছু বলা যাবে না। কিন্তু মোদি সরকারের মন্ত্রীরা বিভিন্ন সময়ে বিমানের দাম বলছেন। গোপনীয়তা তাঁরাই ভঙ্গ করছেন। তাঁদের অভিযোগ, এই চুক্তিতে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। 
কংগ্রেসের সুরেই এই তিন জন অভিযোগ করেছেন, ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিলের যৌথ বিবৃতিতে পরিষ্কার বলা হয়েছে, মনমোহন সরকারের আমলের চুক্তি হুবহু এক রয়েছে। তা হলে কীভাবে যুদ্ধবিমানের দাম বিমানপিছু ৫২৬ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৬৭০ কোটি হল?‌ দেশবাসীকে বোকা বানাচ্ছে মোদি সরকার। বিমানবাহিনীর কোনও মত না নিয়ে মোদি সরকার ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত দিয়েছে। চুপিসারে এই চুক্তি হয়েছে। রাফাল নিয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন করবেন কি না জানতে চাইলে প্রশান্ত ভূষণ জানান, আগে সরকার নিজেদের বক্তব্য জানাক। এর আগে অনেক মামলায় চাপের মুখে পড়েছেন বিচারপতিরা। মামলা থেকে সরে গেছেন তাঁরা। এদিন অরুণ শৌরি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘‌মোদি সরকারকে জিজ্ঞাসা করুন এই চুক্তির ব্যাপারে। মোদি সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চান আপনারা।’‌ 
নোটবন্দি নিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী যশোবন্ত সিংহ বলেন, নোটবন্দি সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ৯৯ শতাংশ টাকা ফেরত এসেছে। কালো টাকা ব্যাঙ্কেই রয়েছে। জনধন অ্যাকাউন্টে তা জমা করার সুযোগ করে দিয়েছে সরকার। সেই সময় ৩০ হাজার কোটি টাকা জমা হয়েছে। কালো টাকা সাদা করার সুযোগ করে দিয়েছে সরকার।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top