আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সী। ২০০৮ সাল থেকে তিনি কোমায় আচ্ছন্ন হয়ে দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। মৃত্যুর সময় তাঁর পাশে ছিলেন স্ত্রী দীপা দাশমুন্সী এবং ছেলে মিছিল। গত একমাস ধরে তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক ছিল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। 
১৯৯৯ ও ২০০৪ সালে পরপর ২ বার রায়গঞ্জ কেন্দ্র থেকে জিতে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সী সাংসদ ও পরবর্তীকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন। ২০০৮ সালের অক্টোবরে কালিয়াগঞ্জে নিজের আদি বাড়িতে তিনি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের উদ্যোগে তাঁকে বিশেষ বিমানে করে দিল্লির এইমসে ভর্তি করা হয়। মস্তিষ্কে অতিমাত্রায় রক্তক্ষরণের ফলে তিনি কোমায় চলে যান। কিছুদিন পরেই এইমসের পক্ষ থেকে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সীকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হলেও তাঁকে দিল্লির অ্যাপোলোতে ভর্তি করা হয়। মৃত্যুর শেষদিন পর্যন্ত তিনি ওখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে গত একমাস ধরে তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক ছিল। অবশেষে ৯ বছরের লড়াই শেষ করে সোমবার মারা গেলেন ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্রাক্তন সভাপতি। 

 

প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি টুইট করে বলেন, 'প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সী একজন জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।ভারতীয় ফুটবলের প্রচারে তাঁর কৃতিত্ব অপরিসীম। তাঁর মৃত্যুতে আমরা গভীর শোকাহত। তাঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রয়েছে।' কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকেল ৩টে নাগাদ প্রিয়রঞ্জনের দেহ জাতীয় কংগ্রেসের সদর দফতর ২৪ আকবর রোডে নিয়ে যাওয়া হবে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বরা সেখানেই অন্তিম শ্রদ্ধা জানাবেন প্রয়াত নেতাকে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে বলেন, 'বাংলার রাজনীতিতে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন।তাঁর মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। ২০০৮-এ যদি অসুস্থ হয়ে না পড়তেন, তবে বাংলার জন্য অনেক কিছু করতে পারতেন। তাঁর পরিবার-পরিজনকে জানাই আমার সমবেদনা।'

 

জনপ্রিয়

Back To Top