আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ফের বাড়তে শুরু করেছে ‌দৈনিক সংক্রমণ। চিন্তা বাড়াচ্ছে মহারাষ্ট্র, কেরল ও পঞ্জাবের মতো রাজ্যগুলি। দেশ জুড়ে কোভিড টিকাকরণ তো চলছেই, কিন্তু কোভিড যুদ্ধে জয় সুনিশ্চিত করতে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা, মাস্ক পরা এবং শারীরিক দূরত্ব–বিধি বজায় রাখার মতো নিয়মবিধি মেনে চলা আবশ্যক, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া টিকাকরণ প্রক্রিয়া আরও জোরদার করে তুলতে বেসরকারি ক্ষেত্রকেও যদি সামিল করা যায়, সেক্ষেত্রে আগামী দু’‌মাসের মধ্যেই ৫০ কোটি নাগরিককে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে, বলছেন উইপ্রো চেয়ারম্যান আজিম প্রেমজি।
সরকারি টিকাকরণ প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যেই ১.‌১ কোটি নাগরিককে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান দৈনিক সংক্রমণে রাশ টানতে এই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া জরুরি। বাজারের চাহিদা অনুসারে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন প্রস্তুত করে বেসরকারি সংস্থাগুলি আগেই প্রমাণ করে দিয়েছে, কোভিড যুদ্ধে তারা কতটা কার্যকরী, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। টিকা সংরক্ষণ এবং পরিবহন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শুরু থেকেই যে সমস্যাগুলো উঠে আসছিল, বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় তার দ্রুত সমাধান সম্ভব। এছাড়াও টিকাকরণ কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়িয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীদের নিয়োগের ব্যাপারে আরও উদ্যোগী হয়ে উঠতে হবে। 
ইতিমধ্যেই ২০০০ বেসরকারি হাসপাতাল টিকাকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু দেশের জনসংখ্যার দিকটি মাথায় রেখে এই শৃঙ্খলটিকে আরও প্রসারিত করা জরুরি। বেসরকারি ল্যাব, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, এসসিও–কেও গোটা প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হোক। ভারতে সংগঠিত ক্ষেত্রের বাজার ছোট হলেও তা কোটি কোটি মানুষের রুজিরুটির জায়গা। সামান্য সরকারি উৎসাহ পেলেও সংগঠিত ক্ষেত্রের সংস্থাগুলি গোটা প্রক্রিয়ায় নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পাবে। যা শেষমেশ অতিমারী আবহে ধসে যাওয়া বাজারকে ঘুরে দাঁড়াতেও সাহায্য করবে, বলছেন তাঁরা।

জনপ্রিয়

Back To Top