আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আরএসএসের মঞ্চে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি যে বার্তা দিয়ে এসেছিলেন, লোকসভার নেতা হিসাবে সেই কথাই তুলে ধরলেন অধীররঞ্জন চৌধুরী। মধুর ভাষায় বার্তা দিলেন লোকসভার নবনির্বাচিত অধ্যক্ষ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। বুঝিয়ে দিলেন কংগ্রেসের ঘরানার পরিবর্তন হয়নি, বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। আর তাতেই বুধবার লোকসভায় স্পিকার নির্বাচনের পর তাঁর ভাষণে বিরোধী বেঞ্চ তো বটেই করতালির ঝড় ওঠে ট্রেজারি বেঞ্চেও।
এদিন লোকসভায় কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেতা হিসাবে তাঁর প্রথম ভাষণে অধীরবাবু নবনির্বাচিত স্পিকার ওম বিড়লাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘‌ভারতের গণতন্ত্র বহুদলীয় গণতন্ত্র। তাই আপনাকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কখনও জয় শ্রী রাম, কখনও আল্লা হু আকবর, কখনও জয় মা কালী বলে যে নজির তৈরি করেছেন সাংসদরা তা ঠিক নয়। সংসদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।’‌ এই বহুত্ববাদ এবং সর্বধর্মসমন্বয়ের কথা বলেছিলেন প্রণব মুখার্জি আরএসএসের মঞ্চে দাঁড়িয়ে। সেই পথটাই তিনি এগিয়ে নিয়ে গেলেন বলে মনে করা হচ্ছে।  
ভরা সংসদে হিন্দি কবিতার পংক্তি উল্লেখ করে অধীরবাবু সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেন। তিনি বলেন, ‘‌যখন মৌলানা মসজিদে রামকে দেখতে পাবেন। যখন পুরোহিত মসজিদে রহমানকে দেখতে পাবেন। যখন মানুষ মানুষের মধ্যে শুধু মানুষকে দেখতে পাবে। তখন দুনিয়া বদলে যাবে।’‌ এই ভাষায় অধীরবাবু বলবেন তা অনেকেই আশা করেননি। তবে তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। তাঁর প্রতিটি কথা কেউ ফেলে দিতে পারেননি বরং তা করতালি দিয়ে সম্মতি দিয়েছেন সবাই। 
নতুন স্পিকারের শুভেচ্ছাবার্তায় ঠিক কী বলেছেন বহরমপুরের সাংসদ?‌ তিনি বলেন, ‘‌খুদাসে কেয়া মাঙ্গু, তেরে বাস্তে, সদা খুশিসে ভরে হো তেরে রাস্তে। হাসি তেরে চ্যাহেরে পে রহে ইস তরহা। খুশবু ফুলও কে সাথ র‌্যাহতি হ্যায় জিস তরহা।’‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top