আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ রাত পেরোলেই ৭১ তম সাধারণতন্ত্র দিবস। এর মধ্যেই সরকার ঘোষণা করল ২১ জন পদ্মশ্রী প্রাপকদের নাম। দেখে নিন কারা কারা পাচ্ছেন পদ্মশ্রী:‌ 
১.‌ জগদীশ লাল আহুজা/‌লঙ্গর বাবা– নিজের লঙ্গরখানা তৈরি করেছেন। দু’‌দশক ধরে নিঃস্বার্থভাবে ৫০০ জন দরিদ্র রোগীদের খাইয়েছেন তিনি।
২.‌ মহম্মদ শরীফ/চাচা শরীফ– ২৫ বছর ধরে ফয়জাবাদের ২৫,০০০ মৃতদেহ সৎকার করেছেন।
৩.‌ জাভেদ আহমেদ তাক– কাশ্মীরের বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের দেখভাল করেছেন।
৪.‌ তুলসী গৌডা– ‘‌জঙ্গলের এনসাইক্লোপিডিয়া’‌ বলে ডাকেন মানুষ তাঁকে। ৭২ বছর বয়সেও তিনি গাছপালার লালন পালন করেন।
৫.‌ সত্যনারায়ণ মুণ্ডায়ুর– অরুণাচল প্রদেশের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে শিক্ষার আলো নিয়ে এসেছেন। 
৬.‌ আব্দুল জব্বর– ভূপল গ্যাস পীড়িত মহিলা উদ্যোগ সংগঠনের জন্মদাতা তিনি।
৭.‌ উষা চমার– ৭ বছর বয়স থেকে নিজে হাতে ভাগাড় বা ফেলে দেওয়া জিনিসের স্তূপ থেকে ব্যবহারযোগ্য জিনিস উদ্ধার করে আসছেন। 
৮.‌ পোপাত্রাও পাওয়ার– মহারাষ্ট্রের অনুর্বর জমি ভর্তি একটি গ্রামকে সবুজ করে তুলেছেন তিনি। 
৯.‌ হারেকালা হাজাব্বা– ২০ বছর ধরে দক্ষিণ কর্ণাটকের দরিদ্র শিশুদের পড়াশোনা শিখিয়েছেন।
১০.‌ অরুণোদয় মণ্ডল– রোজ ৬ ঘণ্টা যাতায়াত করে সুন্দরবনের রোগীদের চিকিৎসা করেন।
১১.‌ রাধা মোহন ও সবরমতী– দেশের চাষীদের সুবিধার জন্য ‘‌সম্ভব’‌ বলে একটি সংস্থা তৈরি করেন। বীজ বদলাতে বা জৈবিক চাষাবাদ শিখতে সাহায্য করেন।
১২.‌‌ কুষল কনওয়ার শর্মা– এশিয়ার হাতিদের সংরক্ষণ করেন গৌহাটির এই পশু চিকিৎসক।
১৩.‌ ট্রিনিটি সাইয়ু– আদিবাসী চাষী ও স্কুলের শিক্ষিকা। জয়ন্তী পাহাড়ের ৮০০ মহিলাকে হলুদের বিভিন্ন চাষে র ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেন।
১৪.‌ রবী কান্নন– চেন্নাইয়ের অঙ্কোলজিস্ট। সত্তর হাজার ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা করেছেন বিনামূল্যে।
১৫.‌ এস রামাকৃষ্ণণ– তামিলনাড়ুতে বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের দেখভাল করেন। 
১৬.‌ সুন্দরম বর্মা– পঞ্চাশ হাজার গাছ লাগিয়েছেন এই রাজস্থান কৃষক।
১৭.‌ মুন্না মাস্টার– মুসলিম ভজন গায়ক, কিন্তু ভগবান কৃষ্ণ ও গরুদের ভজন লিখেছেন।
১৮.‌ যোগী এরন– প্রতিবছর বিনামূল্যে ৫০০– এরও বেশি দরিদ্র রোগীর চিকিৎসা করেন। হিমালয়ের প্রত্যন্ত গ্রামগুলির মহিলাদের সুশ্রুষা করেন।  
১৯.‌ রাহিবাই সোমা পোপেরে– আহমেদনগর জেলার নিরক্ষর এই আদিবাসী চাষীকে ‘বীজ মা’ নাম দেওয়া হয়েছে। সব ধরণের বীজের খবর রাখেন তিনি। ‌
২০.‌ হিম্মাতা রাম ভম্ভু– এক হাজারেরও বেশি পশুপাখির সুশ্রুষা করেন। রোজ ২০ কেজির বেশি শষ্যদানা খাওয়ান তাদের।
২১.‌ মুজিক্কাল পানকাজাকশি– নোক্কুবিদ্যা পাভাক্কালি নামের ঐতিহ্যশালী শিল্পকে এখনও বাঁচিয়ে রেখেছেন এই শিল্পী।
 ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top