আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ প্রেমিক–প্রেমিকারা না চাইলে ‌ভিন ধর্মে বিয়ের নোটিস জেলার ম্যারেজ অফিসারের দপ্তরে ঝুলিয়ে রাখা যাবে না, মঙ্গলবার স্পষ্ট নির্দেশ দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ‘‌লাভ জেহাদ’ রুখতে ‌উত্তরপ্রদেশে সদ্য জারি হওয়া ধর্মান্তরকরণ বিরোধী অধ্যাদেশ নিয়ে ইতিমধ্যেই তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আদালতে এই রায় কিছুটা হলেও স্বস্তিদায়ক, বলছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। 
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশে এক হিন্দু ব্যক্তিকে বিয়ে করতে হিন্দুধর্ম গ্রহণ করেছিলেন এক মুসলিম মহিলা। কিন্তু বাধা আসে পরিবারের তরফে। তারপরই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। সেই মামলারই রায়ে আদালত জানায়, ‘‌এই ধরনের নোটিস প্রকাশ্যে আনলে নাগরিকদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং গোপনীয়তার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়। পছন্দের মানুষকে বিয়ে করার অধিকার আছে প্রত্যেকেরই। তাতে কেউই বাধা দিতে পারে না।’‌ 
বিশেষ বিবাহ আইনে (১৯৫৪) বলা আছে, বিয়ের জন্য ধর্ম পরিবর্তন করতে হলে জেলাশাসকের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তা আগে জানাতে হবে। এও বলা আছে, জেলার ম্যারেজ অফিসারের দপ্তরেই ঝুলিয়ে রাখতে হবে ওই নোটিস, যাতে যদি কারও ওই বিয়ে নিয়ে আপত্তি থাকে, তাহলে সেব্যাপারে যেন ৩০ দিনের মধ্যেই জানানো হয়। 
মঙ্গলবার ৪৭ পাতার রায়ে বিচারক বিবেক চৌধুরী বলেন, ‘প্রেমিক–প্রেমিকারা না চাইলে‌ ওই নোটিস ঝোলানো যাবে না। পরিবার বা অন্য কোনও পক্ষের তরফে বাধা এলেও তাতে গুরুত্ব না দিয়ে বিয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।’

জনপ্রিয়

Back To Top