আজকালের প্রতিবেদন, দিল্লি: দেশের ভিন্ন ভিন্ন রাজ্যের ৫৪টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হবে ৩ নভেম্বর। বিহারের বাল্মীকিনগর লোকসভা কেন্দ্র এবং মণিপুরের ২টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হবে ৭ নভেম্বর। ভোট গণনা হবে ১০ নভেম্বর। বিধানসভার ভোট আসন্ন বলে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল ও তামিলনাড়ুর কোনও শূন্য আসনে উপনির্বাচন হবে না।
এদিন কমিশনের তরফে মধ্যপ্রদেশের ২৮ আসন, গুজরাটের ৮, উত্তরপ্রদেশের ৭, ঝাড়খণ্ড, নাগাল্যান্ড, কর্ণাটক, মণিপুর এবং ওডিশার ২টি করে আসনে এবং ছত্তিশগড়, তেলেঙ্গানা এবং হরিয়ানায় ১টি করে আসনে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়। তবে সবার নজর থাকবে মধ্যপ্রদেশের ২৮ আসনের উপনির্বাচনের দিকে। মার্চ মাসে মধ্যপ্রদেশের ২১ কংগ্রেস বিধায়ক জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার নেতৃত্বে বিজেপি–তে নাম লেখান এবং বিধানসভা থেকে পদত্যাগ করেন। এরপরেই ক্ষমতাচ্যুত হয় কংগ্রেস সরকার। আসন্ন উপনির্বাচনে অবশ্য ৯টি আসন পেলেই টিকে যাবে শিবরাজ সিং চৌহানের সরকার।
বাংলা–সহ যে ৪ রাজ্যে সাত–আট মাসের মধ্যে বিধানসভা ভোট হবে, সেখানে উপনির্বাচন হচ্ছে না। এই ৪ রাজ্য হল পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল ও তামিলনাড়ু। এই রাজ্যগুলি কয়েক মাসের জন্য নতুন বিধায়ক নির্বাচনের বিরোধিতা করেছিল। তাছাড়া এখন যে নির্ঘণ্ট ঘোষিত হয়েছে তাতে উপনির্বাচনের ৬ মাসের মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচন এসে যাবে। পশ্চিমবঙ্গে ফালাকাটা, হেমতাবাদ, এগরা, ফলতার মতো আসনগুলি বিধায়কশূন্য রয়েছে। ফালাকাটার বিধায়ক অনিল অধিকারীর মৃত্যু হয়েছে প্রায় বছর ঘুরতে চলল। ওই কেন্দ্রে নির্বাচন করোনা পরিস্থিতির জেরে পিছিয়ে যায়। 
গত কয়েক দিন আগেই বিহার বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করে কমিশন। মনে করা হচ্ছিল, বিহার বিধানসভা ভোটের সময়ই দেশের ভিন্ন রাজ্যের ৬৪টি কেন্দ্রে ভোট হবে। শেষ পর্যন্ত তাই হল। বিহারে ভোট হবে ২৮ অক্টোবর এবং ৩ ও ৭ নভেম্বর।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top