‌‌‌পিটিআই, দিল্লি: আলোচনার পর আলোচনা সত্ত্বেও প্রকৃত সীমান্তরেখা থেকে থেকেই তপ্ত। তবু আলোচনাকে সম্বল করেই শান্তি, স্থিতির সন্ধানে ভারত, চীন। সোমবার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যায়ের ষষ্ঠ বৈঠক চলল ১৪ ঘণ্টা। মঙ্গলবার দু’‌পক্ষের যুগ্ম বিবৃতিতে বলা হয়, যত দ্রুত সম্ভব সপ্তম দফার বৈঠকটি করা হবে। এবারের বৈঠকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের একজন যুগ্ম সচিবও ছিলেন। এই প্রথম। সম্প্রতি দু’‌দেশের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সঙ্ঘর্ষ এড়ানোর জন্য যে ৫ দফা বোঝাপড়ায় সম্মতি হয়েছে, তা কার্যকর করার ওপর জোর দেওযা হয়। সীমান্তে নতুন করে সেনা পাঠানো বন্ধ করা, নিয়মিত যোগযোগ রাখা ইত্যাদি বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। সামনে দুঃসহ শীত। এই অঞ্চলে তাপমাত্রা নামে শূন্যের নীচে, ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। দু’‌পক্ষেরই বিবেচনায় আছে এই পরিস্থিতি।  চীনের বিদেশ মন্ত্রক থেকে জানানো হয়, দু’‌পক্ষই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অভিমত জানিয়েছে।
১০ সেপ্টেম্বর মস্কোয় ‘‌সাংহাই কো–‌অপারেশন অর্গানাইজেশন’‌ সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক করেন ভারত ও চীনের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং ওয়াং য়ি। মে–‌র গোড়ায় পূর্ব লাদাখে প্রকৃত সীমান্তরেখার কিছু জায়গায় চলছে দু’‌দেশের সেনার মধ্যে সঙ্ঘাত। জুনে গালোয়ানে ২০ জন ভারতীয় সেনা প্রাণ দিয়েছেন। ভবিষ্যতে ওই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে সপাঁচ দফার চুক্তিতে সম্মত হন দু’‌দেশের বিদেশমন্ত্রী। তাতে দ্রুত সেনা সরানো, যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়াতে দ্রুত ব্যবস্থা, আগের সব চুক্তি মেনে চলা, সীমান্তে সেনা নিয়ন্ত্রণ এবং প্রকৃত সীমান্তরেখায় শান্তি স্থাপনের কথা আছে। সোমবারের বৈঠক শেষে সেই চুক্তি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কার্যকর করতেও চীনকে চাপ দিয়েছে ভারত। প্যাংগং হ্রদ অঞ্চলের ফিঙ্গার–‌৪ থেকে ফিঙ্গার–‌৮ এলাকা থেকে দ্রুত চীনা সেনা সরানোর দাবিও জানিয়েছে।
চীনের নিয়ন্ত্রণে থাকা মোলডোতে সোমবার সকাল ৯টায় বৈঠক শুরু হয়েছিল। শেষ হয় রাত ১১টায়। ভারতের পক্ষ লেহ‌–‌র ১৪ নম্বর কোর–‌এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরিন্দর সিং ছাড়াও ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল পি জি কে মেনন, যিনি শিগগিরই সেখানে দায়িত্ব নেবেন। বৈঠকে ছিলেন বিদেশ মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব নবীন শ্রীবাস্তব। ‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top