আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষেরা হাতে হাতে ব্যারিকেড করে রক্ষা করলেন একটি মন্দিরকে। বিক্ষোভকারীরা যাতে মন্দিরে গিয়ে ভাঙচুর না চালায়, তার জন্য মুসলিম যুবকেরা মানববন্ধন করে গোটা দেশের প্রশংসা কুড়োলেন।
কর্নাটকের ডিজে হাল্লি থানার পাশে মঙ্গলবার সারারাত ধুন্ধুমার বিক্ষোভ চলে। এই হিংসাত্মক ঘটনার সূচনা একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে। ধর্মীয় উস্কানিমূলক একটি পোস্ট করেছিলেন নবীন বলে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী। এরপরেই শুরু হয় দ্বন্দ্ব। বিক্ষোভের মধ্যে তিনজন প্রাণ হারান। ৬০ জন পুলিশকর্মী আহত হন। 
পুলিশকর্মীরা বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করার চেষ্টা করতে থাকেন। জনতাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে গিয়েই আহত হন ৬০ জন পুলিশকর্মী। আগুনে লাগানো ও ভাঙচুর করার ফলে প্রচুর সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি হয়। ওই এলাকায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ টি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। কংগ্রেসের এক বিধায়কের আবাসনের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেযোয়া হয়। বিক্ষোভকারীর একটি দল একটি আবাসনের বেসমেন্টে ঢুকে প্রায় ২০০–২৫০ টি গাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে বলে জানালেন কমিশনার। 
ডিজে হাল্লি এলাকায় ভাঙচুর চালানো ও পুলিশকর্মীকে আক্রমণ করার অভিযোগে ১১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং ঘটনার পরেই বেঙ্গালুরুর ডিজে হাল্লি ও কেজি হাল্লিতে ১৪৪ ধারা ও কার্ফিউ জারি করা হয়। নবীন নামের পেসবুক ব্যবহারকারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানাল বেঙ্গালুরু পুলিশ।
ঘটনার মাঝেই একদল মুসলিম যুবক ডিজে হাল্লি থানার পাশের এক মন্দিরের সামনে হাতে হাত ধরে ব্যারুইকেড করে দাঁড়ান। মন্দিরের গায়ে যাতে বিক্ষোভকারীদের হাত না পড়ে, তার জন্য এই মানববন্ধন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিওটি পোস্ট হতেই ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য প্রচুর প্রশংসা কুড়িয়েছেন তাঁরা।    

জনপ্রিয়

Back To Top