আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ হিন্দু পুরাণের অন্যতম দেবতা রামসেবক হনুমান। প্রতি মঙ্গলবার তাঁর জন্মবার উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন হনুমান মন্দিরে পুজো দিতে ভিড় করেন ভক্তরা। কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পর তো হনুমান জয়ন্তীও এখন দীপাবলি বা হোলির মতো অন্যতম বার্ষিক পুজোর একটি। কিন্তু হনুমান মন্দিরের সামনে ট্রেনের গতি কমে যায় কখনও শুনেছেন।
তাই ঘটছে মধ্য প্রদেশের শাজাপুর জেলার বোলাই গ্রামের ৬০০ বছরের পুরনো ‌শ্রী সিদ্ধবীর খেড়াপতি হনুমান মন্দিরে। মন্দিরের পুরোহিত এবং গ্রামবাসীরা জানালেন, ওই মন্দিরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রেনের গতি কমিয়ে দেন চালকরা। তাঁদের দাবি, চালকরা তাঁদের বলেছেন কোনও অদৃশ্য কণ্ঠ তাঁদের ট্রেনের গতি কমাতে আদেশ দেয়। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, সেই আদেশ মেনে গতি না কমালে ট্রেন দুর্ঘটনা অনিবার্য। নিজেদের বিশ্বাসের প্রামাণিক তথ্য দিতে কয়েক বছর আগে ওই জায়গাতেই দুটি মালগাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষের কথা উল্লেখ করেছেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের দাবি, দুর্ঘটনাগ্রস্ত ওই মালগাড়ি দুটির চালকই নাকি স্বীকার করেছিলেন, মন্দিরের সামনে ট্রেন আসার পরই তাঁরা অদৃশ্য কণ্ঠে গতি কমানোর আদেশ শুনেছিলেন। কিন্তু তা অমান্য করার ফলেই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। মন্দিরে হনুমানের বিগ্রহের বাঁ পাশে রয়েছে তাঁর অন্যতম বন্ধু শিবপুত্র গণেশের মূর্তি। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, এইভাবে দুটি মূর্তি পাশাপাশি থাকলে তাঁদের গ্রাম পবিত্র এবং সুন্দর থাকবে। ‌তাঁদের আরও বিশ্বাস, শ্রী সিদ্ধবীর খেড়াপতির বিগ্রহ দর্শনার্থীর মনোস্কামনা পূরণ করে এবং তাঁর ভবিষ্যত বলে দেয়। এধরনের ঘটনা গত ৬০০ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে ঘটেছে বলে দাবিও করেছেন তাঁরা।      

জনপ্রিয়

Back To Top