আজকাল ওয়েবডেস্ক: অবশেষে রবিবার ভোররাতে কানপুরকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত গ্যাংস্টার বিকাশ দুবের অন্যতম ঘনিষ্ঠ শাগরেদকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। দয়াশঙ্কর অগ্নিহোত্রী নামে ওই দুষ্কৃতীর সঙ্গে রাতভর গুলির লড়াই শেষে তার পায়ে গুলি করে পুলিশ। তারপরই জখম দয়াশঙ্করকে পাকড়াও করা হয়। রবিবার সকালে একথা জানালেন কানপুরের আইজি মোহিত আগরওয়াল। তার জন্য ২৫,০০০ টাকা নগদ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। আইজি জানিয়েছেন, শনিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দয়াশঙ্করকে ধরতে পুলিশ বাহিনী গেলে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় সে। পাল্টা জবাব দেয় পুলিশও। তার কাছ থেকে বন্দুক এবং কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। 
অন্যদিকে, কানপুরকাণ্ডে মৃত পুলিশকর্মীদের অটোপ্‌সি রিপোর্ট দেখে তদন্তকারী অফিসার, ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ এবং এসটিএফ–এর অফিসারদের অনুমান, যেভাবে মাওবাদী অধ্যুষিত রেড করিডোরে হামলা চালায় তারা।

সেভাবেই হামলা করেছিল  বিকাশ দুবের ৬০জনের দলবল। ডিএসপি র‌্যাঙ্কের সার্কল অফিসার দেবেন্দ্র মিশ্রর মাথা এবং গোড়ালি কেটে নেওয়া হয়। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে এসআই অনুপ সিং–এর দেহ বুলেটে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল। তাঁর শরীরে সাতটা বুলেট মিলেছে। শিবরাজপুর থানার এসএইচও মহেশ যাদবকে মুখে, বুকে এবং কাঁধে গুলি করা হয়েছিল। কনস্টেবল জিতেন্দ্র পালের দেহ একে–৪৭–এর গুলিতে দুভাগ হয়ে গিয়েছিল। কনস্টেবল রাহুল, বাবলু এবং সুলতানকে .‌৩১৫ বোরের রাইফেলের গুলিতে হত্যা করা হয়।
আইজি জানান, ভাঙা রাস্তার উপর একটি জেসিবি মেশিন রেখেছিল গুন্ডারা। পুলিশরা এগোতে শুরু করতে ছাদের উপর থেকে গুলি চালাতে থাকে স্নাইপাররা। তারপর এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এভাবেই মাওবাদীরা ফাঁদ পাতে। তবে দয়াশঙ্কর ধরা পড়ায়, বিকাশকেও তাড়াতাড়ি খুঁজে বের করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন আইজি।
ছবি:‌ এএনআই

জনপ্রিয়

Back To Top