আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌আর পাঁচটি দিনের মতোই রবিবার কাজ করছিলেন চিকমাঙ্গালুরুর পুলিস আধিকারিকরা। হঠাৎই এক ব্যক্তি হাতে একটি ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ করল। এরপর ব্যাগের ভিতর থেকে বেরোল এক মহিলার কাটা মুণ্ডু। যা দেখে অবাক হয়ে যান থানায় উপস্থিত পুলিস অফিসাররাও। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম সতীশ। আর মৃত মহিলা সম্পর্কে তার স্ত্রী। নাম রূপা। পুলিস জানিয়েছে, ন’‌বছর আগে রূপার সঙ্গে সতীশের বিয়ে হয়েছিল। তাদের দু’টি সন্তানও ছিল। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরেই সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ ঘটে। স্থানীয় এক শ্রমিকের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে রূপা। এরপর জানতে পেরে স্ত্রীকে বোঝায় সতীশ। কিন্তু তাতেও কাজ হয় না। এরপর রবিবার সন্ধ্যায় বেঙ্গালুরু থেকে কাজ সেরে বাড়ি ফিরে স্ত্রী–র সঙ্গে ওই ব্যক্তিকে দেখে রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে যায় সতীশ। শেষে একটি ধারাল চপার দিয়ে দু’‌জনকে খুন করতে উদ্যত হয় সতীশ। কিন্তু কোনওরকমে বেঁচে যায় রূপার প্রেমিক। তবে বাঁচতে পারেনি রূপা। তাঁকে গলা কেটে খুন করে সতীশ। এরপর সেই কাটা মুণ্ডুটি ব্যাগে ভরে ২০ কিলোমিটার বাইক চালিয়ে থানায় আসে সতীশ। নিজেই স্ত্রীকে খুন করার কথা জানায় এবং আত্মসমর্পণ করে। পুলিস জানিয়েছে, স্ত্রীকে খুন করার পরেও ওই ব্যক্তির মুখে ভয়ের কোনও ছাপ ছিল না। সে শুধু আফশোস করে বলে, অল্পের জন্য তার স্ত্রীর প্রেমিক প্রাণে বেঁচে গিয়েছে। তাকেও সে খুন করত। ইতিমধ্যে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে।   

জনপ্রিয়

Back To Top