আজকাল ওয়েবডেস্ক: সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখল ভারত। সকাল ৯টা থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়া শুরু, তারপর অবস্থা হয় অগ্নিগর্ভ। পুলিশের লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস প্রয়োগে হিতে বিপরীত হয়। অক্ষরধাম, লালকেল্লা, সিকরি, নাংলোই সহ বিভিন্ন জায়গায় ধুন্ধুমার লেগে যায়। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতামন্ত্রী এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক সেগুলোয়। 
মমতা ব্যানার্জি: দিল্লির রাস্তায় যে রকম যন্ত্রণাদায়ক ঘটনা ঘটে চলেছে তাতে গভীরভাবে আশঙ্কিত। কেন্দ্রের অসংবেদনশীল মনোভাব এবং কৃষক ভাইবোনেদের প্রতি উদাসীনতা এর জন্য দায়ী। 
রাহুল গান্ধী: হিংসা কোনও সমস্যারই সমাধান নয়। চোট যারই লাগুক, লোকসান হবে দেশেরই। দেশহিতের জন্যই কৃষি-বিরোধী আইন ফিরিয়ে নাও। 
অমরিন্দর সিং: দিল্লিতে ভয়ঙ্কর দৃশ্য। কিছু অংশের হিংসা গ্রহণযোগ্য নয়। শান্তিপূর্বক প্রতিবাদ করে যে সুনাম কুড়িয়েছিলেন কৃষকরা তাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আমার আর্জি, যাঁরা সত্যিকারের কৃষক তাঁরা দিল্লি খালি করে সীমান্তে ফিরে যান।
গৌতম গম্ভীর: হিংসা এবং ধ্বংসাত্মক মনোভাব আমাদের পথ দেখাবে না। আমি সবার কাছে আর্জি জানাচ্ছি, শান্তি এবং সম্মানের চুক্তি পালন করুন। আজকের দিনটা বিশৃঙ্খলার নয়। 
শশী থারুর: সবথেকে দুর্ভাগ্যজনক। কৃষক আন্দোলনকে আমি প্রথম থেকে সমর্থন করে আসছি। কিন্তু এই আইন অমান্য মেনে নিতে পারছি না। সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন পবিত্র জাতীয় পতাকা ছাড়া আর কিছু তুলে ধরা যায় না।
সীতারাম ইয়েচুরি: কৃষকদের ওপর লাঠিচার্জ এবং কাঁদানে গ্যাস ছোড়া গ্রহণযোগ্য নয়। সংযুক্ত কিসান মোর্চা এবং দিল্লি পুলিশের মধ্যে সমঝোতার পরেও কেন হল? সরকার কেন একটা সংঘাতে উস্কানি দিচ্ছে? রাজি হওয়া রাস্তায় শান্তিতে ট্রাক্টর প্যারেড করতে দেওয়া উচিত। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top