আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এক এক করে তিনজনকে মেরেছিল কৃষ্ণা। অবশেষে মানুষখেকো বাঘটিকে বন্দি করতে সমর্থ হয়েছে রাজস্থানের বন দপ্তর। মূলত কারাউলি জেলার জঙ্গলে থাকত কৃষ্ণা। গত ফেব্রুয়ারি থেকে তিনজনকে মেরেছিল বাঘটি। কৃষ্ণার যখন আট মাস বয়স, তখন সে প্রথম মেরে ফেলে পাদলি গ্রামের মুন্নি দেবীকে। গ্রামটি ছিল কুন্দারা রেঞ্জের পাশেই। এরপর গত মাসে কালিয়া দেবা জঙ্গলে কৃষ্ণার শিকার হয় রূপ সিং। জঙ্গলে কাঠ কাটতে গিয়েছিল রূপ সিং। তখনই কৃষ্ণা আক্রমণ করে ওই ব্যক্তিকে। রূপ সিংয়ের আধ খাওয়া দেহ জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয়। এরপর ১১ সেপ্টেম্বর কৃষ্ণা মেরে ফেলে পিন্টু মালিকে। নিজের কুঁড়েঘরে শুয়েছিল পিন্টু। তখনই কৃষ্ণা ঘরে ঢুকে পিন্টুকে মুখে করে নিয়ে চলে যায়। এরপরেই রাজস্থানের বন দপ্তরের আধিকারিকরা তন্ন তন্ন করে কৃষ্ণার খোঁজ করতে শুরু করে। জয়পুর, কোটা, সোয়াই মাধোপুর, কারাউলির জঙ্গলে কৃষ্ণার খোঁজ চলছিল। অবশেষে বুধবার কারাউলির চিনওয়ারি জঙ্গলে কৃষ্ণার খোঁজ পাওয়া যায়। ঘুমপাড়ানো গুলি ছুড়ে বন্দি করা হয় মানুষখেকো কৃষ্ণাকে।
দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গল নিকটস্থ গ্রামের বাসিন্দারা মানুষখেকো বাঘটিকে বন্দি করার জন্য বন দপ্তরের কাছে আবেদন করে আসছিল। এমনকি বন দপ্তর তাঁদের কথা না শুনলে কৃষ্ণাকে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছিল বাসিন্দারা। অবশেষে কৃষ্ণাকে বন্দি করা গেছে। রণথম্বোর জাতীয় উদ্যানের প্রধান মনোজ পরাশর বলেছেন, ‘‌জাতীয় উদ্যানের ভিড জঙ্গল এলাকায় কৃষ্ণাকে খাঁচায় আটকে রাখা হয়েছে।’‌  

জনপ্রিয়

Back To Top