আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ কপিল মিশ্রর উস্কানিমূলক টুইটেই জ্বলে উঠেছিল উত্তরপূর্ব দিল্লি। যার ফলে মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। মঙ্গলবার এই অভিযোগ করলেন সোমবারের ঘটনায় মৃত মহম্মদ ফুরকানের দাদা মহম্মদ ইমরান। পেশায় হস্তশিল্প ব্যবসায়ী, ৩৭ বছরের ইমরানের অভিযোগ, গত শনিবার থেকেই জাফরাবাদ মেট্রো স্টেশনের সামনে কয়েকশো প্রতিবাদী সিএএ–র বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভ করছিলেন। কিন্তু রবিবার দুপুরে বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র সিএএ সমর্থকদের টুইটারে মৌজপুরে ডেকে পাঠিয়ে প্রতিবাদীদের বিরোধিতা করতে আহ্বান করেন। তারপরই জ্বলে ওঠে জাফরাবাদ সেতু সংলগ্ন মৌজপুর, ভজনপুরা এবং চাঁদবাগ।
সোমবার বিক্ষোভের মাঝে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ইমরানের ভাই ৩২ বছরের ফুরকানের। তিনিও পেশায় হস্তশিল্প ব্যবসায়ী। ইমরান বললেন, সোমবার দুপুর আড়াইটে নাগাদও জাফরাবাদ সেতু সংলগ্ন কর্দমপুরীতে ভাইয়ের বাড়ি গিয়ে গল্প করেছিলেন তিনি। গত রবিবার থেকে চলা বিক্ষোভের জেরে এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকায় কিছুক্ষণ পর নিজের দুই ছোট ছেলেমেয়ের জন্য অন্য জায়গা থেকে খাবার কিনতে গিয়েছিলেন ফুরকান। হঠাৎ ইমরানের এক পরিচিত তাঁকে ফোনে জানান, যে ফুরকানের পায়ে গুলি লেগেছে। আতঙ্কিত ইমরান এরপর ভাইকে ক্রমাগত ফোন করলেও সাড়া মেলেনি। এরপর বিভিন্নজনের কাছ থেকে ফোনে খবর পেয়ে জিটিবি হাসপাতালে গিয়ে ভাইকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান ইমরান।
ছোট ভাইয়ের মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত ইমরানের অভিযোগ, কপিল মিশ্রর টুইটে এত বড় ঘটনা ঘটলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণাধীন দিল্লি পুলিস ওই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে এখনও কোনও পদক্ষেপ করেনি।  ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top