আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ প্রায় মরতে বসেছিল ছোট্ট সারমেয়টি। ১২ বছর বুকে আগলে রেখেছিলেন মালকিন। তাই তাঁর চলে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেনি সারমেয়টি। মালকিনের মৃতদেহ বাড়িতে আসতেই ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হল তাঁর পোষ্য কুকুরটিও। মালকিন ও পোষ্যের এমন ভালবাসার সাক্ষী রইলেন উত্তরপ্রদেশের কানপুরের বাররা ২ অঞ্চলের বাসিন্দারা। মালকিনের দেহের পাশেই শেষকৃত্য হল সারমেয়টির। 
একটি হাসপাতালের পাশে কুকুরটিকে ফেলে রেখে পালিয়ে গিয়েছিল মা কুকুর। খাবার না পেয়ে এবং শরীরে ঘা হয়ে একেবারে মরতে বসেছিল সারমেয়টি। ভাগ্যক্রমে ওই রাস্তা দিয়েই সেদিন গাড়িতে যাচ্ছিলেন চিকিৎসক অনিতা রাজ সিং। তিনি কুকুরটিকে দেখে গাড়ি থামিয়ে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এসব তাও প্রায় বারো বছর আগের কথা। দত্তক নিয়ে তার নাম দেন ‘জয়া’। অনিতা ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের জয়েন্ট ডিরেক্টর। আর তার নিত্যসঙ্গী ছিল এই জয়া। 
অনিতার ছেলে তেজসের কথায়, ‘জয়া খুব রোগা ও দুর্বল ছিল। মা ওকে খুব যত্ন করত। ও আমাদের বাড়িরই একজন সদস্য হয়ে গিয়েছিল। কয়েক মাস ধরেই মা খুব ভুগছিলেন। কিডনির সমস্যা নিয়ে শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল মায়ের। গত বুধবার সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে মা।’ তেজস আরও জানান, ‘‌মায়ের দেহ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর থেকেই জয়া অসম্ভব চিৎকার করছিল। আচমকাই ও চারতলায় উঠে যায় এবং সেখান থেকে নিচে ঝাঁপ দেয়। মেরুদণ্ড ভেঙে যাওয়ায় ওকে সঙ্গে সঙ্গে পশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওর সেখানেই মৃত্যু হয়।’‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top