আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ কর্নাটকে জোট সরকার বাঁচাতে তৎপর জেডিএস এবং কংগ্রেস। খুব শীঘ্রই মন্ত্রিসভায় রদবদল করা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী। রবিবার জোটসঙ্গী কংগ্রেসের নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বুধবার রাজ্য কংগ্রেসের নিজস্ব বৈঠকে নিজেদের পক্ষের বিধায়ক সংখ্যা নির্ণয় করতে চলেছে কংগ্রেস। যেসব কংগ্রেস বিধায়করা বিগত কয়েকদিন ধরে জোটের সমালোচনা করছিলেন ইতিমধ্যে সিদ্দারামাইয়া তাঁদের সঙ্গে একপ্রস্থ আলোচনা সেরেছেন। এই জোটকে ‘‌অশুভ’‌ বলে কটাক্ষ করা কংগ্রেস বিধায়ক সুধাকরকে দলে থাকতে সিদ্দারামাইয়া রাজি করাতে পারলেও রাজ্যের মন্ত্রী সতীশ জারকিহোলির ভাই রমেশ বিজেপিতে যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে, নিখিল কুমারস্বামীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জন্য বিশ্বেশ্বর ভাট নামে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জেডিএস এফআইআর দায়ের করায় শাসক দলের তীব্র নিন্দা করেছে কর্নাটক বিজেপি। বিজেপিনেত্রী শোভা কারান্ডলাজে সোমবার তাঁর টুইটার পোস্টে জোট সরকারকে কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘‌স্বেচ্ছাসেবীদের পর এখন বিজেপির পক্ষে একটি খবর প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের পিছনে পড়েছে কংগ্রেস–জেডিএস জোট। বিশ্বেশ্বর ভাটের বিরুদ্ধে মিথ্যা এফআইআর রুজু করা হয়েছে।’‌
২২৪ টি আসনের কর্নাটক বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১১৩। জোটের আছে ১১৭ জন বিধায়ক এবং বিজেপির আছে ১০৫ জন বিধায়ক। তাদের সঙ্গে দুই নির্দল বিধায়কের সমর্থন আছে বলেও দাবি করেছে বিজেপি। এর মধ্যে কংগ্রেস বা জেডিএস–এর কয়েকজন বিধায়ক বিজপিতে যোগ দিলেই বিজেপি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে পারবে। তাহলে সরকার পড়ে যাবে এবং নতুন করে বিধানসভা ভোট হবে। তবে সূত্রের খবর, কর্নাটকের অনেক বিধায়কই এখন নতুন করে নির্বাচন চাইছেন না।
ছবি:‌ ম্যাঙ্গালোর টুডে
    

জনপ্রিয়

Back To Top