সমীর ধর
আগরতলা, ৫ জুলাই 

রবিবার ত্রিপুরা জুড়ে কঠোরতম লকডাউন কার্যকর করে দেখাল বিপ্লব দেবের সরকার। রাজধানী আগরতলায় দোকান–বাজার, রাস্তাঘাট— সব ছিল স্তব্ধ। শহরের বহু জায়গায় পুলিশের কড়াকড়ি নজরে পড়েছে। উঠেছে বাড়াবাড়ির অভিযোগও। আগের নির্দেশে বলা হয়েছিল, দোকানপাট খোলা থাকবে। কিন্তু এ নিয়ে কিছু কথা ওঠায় শেষ মুহূর্তে মুখ্য সচিব মনোজ কুমারকে দিয়ে সব কিছু বন্ধ রাখার জরুরি নির্দেশ জারি করানো হয়। রবিবার ভোর ৫টা থেকে পুলিশও কোমর বেঁধে নেমে পড়ে রাস্তায়। রবিবার বলে বড় দোকানপাট অবশ্য এমনিতেই খোলেনি। কিন্তু ছোট ছোট কিছু দোকান খোলা ছিল। সেগুলি বন্ধ করতে পুলিশের বলপ্রয়োগ নিয়ে উঠছে কথা। লকডাউন অমান্য করে রাস্তায় বেরোনোর অভিযোগে বেশ কিছু লোককে গ্রেপ্তারও করা হয়।
এই মুহূর্তে দেশ জুড়ে চলছে আনলক–‌২ পর্যায়। এই সময় ত্রিপুরায় হঠাৎ এই কঠোর লকডাউন কেন, সেই প্রশ্ন জোরালো হয়ে উঠেছে। এ পর্যন্ত রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৬০০–‌র কাছাকাছি। ৯০ শতাংশেরই কোনও রোগলক্ষণ ছিল না। একজনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা ধরা পড়ার পর হাসপাতালে আত্মঘাতী হয়েছেন একজন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর আত্মহত্যা করেছেন আরও একজন। ত্রিপুরা–‌সহ উত্তর–‌পূর্বাঞ্চলে প্রাথমিকভাবে করোনার থাবা ততটা ভয়াবহ ছিল না। সংক্রমণ ধরা পড়ার পর খুব দ্রুতই ‘‌করোনামুক্ত’‌ বলে ঘোষিত হয়ে যায় রাজ্য। কিন্তু সে অল্প দিনের জন্য। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বেশ কয়েকজন বিএসএফ জওয়ানের সংক্রমণ ধরা পড়ে। তার পর থেকে আরও ছড়ায় সংক্রমণ। সেই সঙ্গে আতঙ্কও।

জনপ্রিয়

Back To Top