সংবাদ সংস্থা
দিল্লি, ২০ সেপ্টেম্বর

করোনা কাউকেই রেয়াত করছে না। ৩ জন সাংসদ, ৬ জন বিধায়কের প্রাণ কেড়েছে করোনা। প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির শরীরেও ঢুকেছিল কালান্তক এই ভাইরাস।
ভারতে কোভিডে মৃত্যু ৮৬ হাজারের ওপর। অসুস্থতার কারণে গত মাসে দিল্লির আর্মি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল প্রণব মুখার্জিকে। তঁার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর জানা যায়, তিনি করোনা পজিটিভ। শেষ পর্যন্ত মৃত্যু। করোনায় মৃত ভিভিআইপি–‌দের অন্যতম কর্ণাটকের বিজেপি সাংসদ অশোক ঘাস্তি। সদ্য রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। করোনার উপসর্গ দেখা দিতেই ২ সেপ্টেম্বর তঁাকে বেঙ্গালুরুর মণিপাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শেষ রক্ষা হয়নি। অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতির সাংসদ, ওয়াইএসআরসিপি নেতা দুর্গাপ্রসাদ রাও করোনা পজিটিভ হওয়ায় চেন্নাইয়ের হাসপাতালে ভর্তি হন। কোমর্বিডিটি থাকায় কোনও চেষ্টাই কাজে আসেনি। কন্যাকুমারীর সাংসদ এইচ বসন্তকুমার। তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটির ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট ছিলেন। চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তামিলনাড়ুর ডিএমকে বিধায়ক জে আনবাছগানেরও মৃত্যু হয়েছে করোনায়।
যোগী আদিত্যনাথের রাজ্য উত্তরপ্রদেশের পরিস্থিতি ভাল নয়। সেখানে এক মাসের ভেতর দু’‌জন মন্ত্রী করোনায় মারা যান। একজন উত্তরপ্রদেশের কারিগরি শিক্ষামন্ত্রী কমলরানি বরুণ। অন্য জন প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা সৈনিক কল্যাণ ও নাগরিক সুরক্ষা মন্ত্রী চেতন চৌহান। মধ্যপ্রদেশের অবস্থাও তথৈবচ। ১৫ সেপ্টেম্বর করোনার কবলে প্রাণ হারিয়েছেন কংগ্রেস বিধায়ক গোবর্ধন ডাঙ্গি। রাজগড়ের বায়োঙ্গির বিধায়ক ছিলেন তিনি। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের দু’‌জন বিধায়কের প্রাণ কেড়েছে করোনাভাইরাস। একজন পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা থেকে নির্বাচিত তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সমরেশ দাস, আরেকজন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা থেকে নির্বাচিত তমোনাশ ঘোষ। 
প্রাক্তন নেতা–মন্ত্রীদের মধ্যেও অনেকে করোনার শিকার হয়েছেন। লেহ্‌–‌র কংগ্রেস নেতা পি নামগেল রাজীব গান্ধীর মন্ত্রিসভায় ছিলেন। জুন মাসে ‌আক্রান্ত হন। লেহ্‌–‌র হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাঁচানো যায়নি। করোনায় মারা গেছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন সাংসদ হরভাউ জ্বালা। পুনের পান্ধারপুরের পঁাচবারের প্রাক্তন বিধায়ক সুধারক পরিচারকের মৃত্যুর কারণ করোনা। পশ্চিমবঙ্গের সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামল চক্রবর্তীও মারা গেছেন করোনায়। 
‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top