আজকালের প্রতিবেদন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এক সময়ের বসতবাড়ির পঁাচিল আবার তৈরি করে দেওয়া হবে। পুরীর প্রাচীনতম সামন্ত চন্দ্রশেখর কলেজের হস্টেল–‌সংলগ্ন ছাত্রাবাসের পঁাচিলটি রাস্তা চওড়া করার জন্য ভেঙে দিয়েছিল পুরী প্রশাসন। ঐতিহ্যবাহী এই হস্টেলটি আসলে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ি ছিল। এখানে তিনি বহু লেখালিখি করেছেন। অবশেষে কলেজ–‌ছাত্রদের আন্দোলনের জন্য পিছু হটল পুরী প্রশাসন। পড়ুয়ারা যাতে সেখানে থেকে কলেজের পড়াশোনার কাজ চালিয়ে যেতে পারে, সেজন্য ১৯৪৫ সালে বাড়িটি দান করে দেওয়া হয় কলেজকে।
এখন গোটা পুরী জুড়েই রাস্তা চওড়া এবং সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে। এজন্য কলেজ এলাকায় ছাত্রাবাস–‌লাগোয়া একটি পঁাচিল রাস্তা চওড়া করার জন্য ভেঙে দিয়েছিল প্রশাসন। এর পরেই পড়ুয়ারা এবং আইনজীবীদের একাংশ প্রতিবাদ জানান। তঁাদের বক্তব্য, এটি হেরিটেজ সম্পত্তি। তার পঁাচিলও একই বন্ধনীতে পড়ে। রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত হস্টেলের পঁাচিল ভাঙা যাবে না। এই দাবিতে পুরীর সাব–‌কালেক্টর ভবতারণ সাহুর দপ্তরে এবং জেলাশাসক বলবন্ত সিংয়ের দপ্তরেও ডেপুটেশন দেওয়া হয়। সাব–কালেক্টরের অফিসের সামনে পড়ুয়ারা অবস্থানও করেন। অবশেষে ভবতারণ সাহু আশ্বাস দিয়েছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে ভেঙে–‌ফেলা পঁাচিল গড়ে দেওয়া হবে। এই হস্টেলটির স্থানীয় নাম পথের পুরী হস্টেল। এই হস্টেলটিতে এখন কলেজের পঠন‌পাঠনের কাজও হয়। ফণী ঝড়ের পর বাড়িটির কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছে, তা পরবর্তী পর্যায়ে মেরামত করা হবে।‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top