সংবাদ সংস্থা
দিল্লি, ৯ আগস্ট

সোমবার শেষ হচ্ছে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভাপতি পদে সোনিয়া গান্ধীর মেয়াদ। তারপর কী? ‌তারপরেও স্থায়ী সভাপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ওই দায়িত্ব সামলাবেন সোনিয়াই। রবিবার একথা স্পষ্ট করে দেন কংগ্রেস মুখপাত্র অভিষেক মনু সিংভি। একইসঙ্গে তিনি জানান, উপযুক্ত পদ্ধতি মেনেই কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হবেন। সেটাও খুব দূর ভবিষ্যতের ব্যাপার নয়। এদিনই দলের আরেক সাংসদ শশী থারুর বলেন, কংগ্রেস এখন দিশাহীন, জনমানসে তৈরি হওয়া এই ধারণা দূর করতে হলে পূর্ণ সময়ের সভাপতি নির্বাচন নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে দলকে। থারুরের মতে, দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাহুলেরই আছে। কিন্তু তিনি রাজি না হলে ওই পদে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত। ‌‌‌তবে এদিন করোনা সঙ্কট পর্বে রাহুলের ভূমিকার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন শশী। তিনি বলেন, কোভিড ইস্যু কিংবা সীমান্তে চীনা আগ্রাসন, সব বিষয়েই প্রায় এককভাবে দারুন ভূমিকা পালন করেছেন রাহুল। সব প্রশ্নেই ব্যর্থ কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিনি। 
 অভিষেক মনু সিংভি এদিন বলেন, দলের সংবিধানে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির জন্য একটি প্রক্রিয়া আছে। দল সেটাই অনুসরণ করে।  অদূর ভবিষ্যতেই বিষয়টি কার্যকর করা হবে। এবং তার ফলও জানা যাবে। সোনিয়া কতদিন অন্তর্বর্তী সভাপতি পদে থাকবেন তার নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা নেই বলেও মনু সিংভি জানান। একইসঙ্গে তিনি জানান, যেমন প্রকৃতিতে, তেমনি রাজনীতি বা রাজনৈতিক দলে কোনও শূন্যতা থাকে না। দলের সংবিধান মেনেই নির্বাচন হবে।
তিনি মনে করিয়ে দেন, কেউ যেন না ভাবেন ১০ আগস্ট মাঝরাতের পর থেকে কংগ্রেস নেতৃত্বহীন একটি দলে পরিণত হবে। এভাবে ভাবাটা কোনও কাজের কথা নয়। লোকসভা নির্বাচনের পর রাহুল দলের সভাপতির পদ ছাড়ায় গত বছর ১০ আগস্ট দলের অন্তর্বর্তী সভাপতির দায়িত্ব নেন সোনিয়া। তবে এর মধ্যে মধ্যপ্রদেশের পর রাজস্থানেও যদি শচীন পাইলটের বিদ্রোহের জেরে কংগ্রেস গদিচ্যুত হয়, তাহলে নেতৃত্বের শূন্যতা নিয়ে আরও জোরদার প্রশ্ন উঠবে দলের ভেতরে। 

জনপ্রিয়

Back To Top