আজকালের প্রতিবেদন
নেই কোনও চিকিৎসক। জওয়ানদের শয্যার ধারেকাছেও নেই কোনও ওষুধ বা চিকিৎসার সরঞ্জাম!‌ 
গালোয়ানে আহত জওয়ানদের পাশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এমন ছবি প্রকাশের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা প্রশ্ন উঠছিল। বাড়ছিল বিতর্ক। তাই শনিবার ভারতীয় সেনার তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী লে’‌র হাসপাতালে যাওয়া নিয়ে অভিযোগ ‘বিদ্বেষপূর্ণ এবং ভিত্তিহীন’। জওয়ানরা হাসপাতালে যে ঘরে রয়েছেন, সেখানে কীভাবে প্রজেক্টর এল, সেই বিতর্কেরও সাফাই দিয়েছে সেনা। জানানো হয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে শয্যার বন্দোবস্ত করতেই ওই ঘরটি ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে ১০০টি শয্যা রয়েছে এবং তা জেনারেল হাসপাতাল কমপ্লেক্সের মধ্যেই। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত প্রোটোকলের জন্য হাসপাতালের কয়েকটি ওয়ার্ডকে আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হয়েছে। তাই জেনারেল হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার কেন্দ্র হিসেবে নথিভুক্ত করার সময় থেকেই ঘরটি আইসোলেশন ওয়ার্ড হয়েছে। সেটি প্রশিক্ষণের জন্য অডিও–‌ভিজ্যুয়াল রুম হিসেবে ব্যবহার করা হত।
তবে এখানেই বিতর্ক থামছে না। নিমো আদৌ কোনও ‘ফরোয়ার্ড লোকেশন’‌ বা সীমান্ত এলাকা নয়। বস্তুত নিমো একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। কার্গিল বরং কাছাকাছি, গালোয়ান বহুদূর। নিমো রিভার র‌্যাফটিংয়ের জন্য খুবই জনপ্রিয় হলেও লাদাখ সীমান্ত থেকে ২৫০ কিমি দূরে। বস্তুত নিমো সফরকে কাজে লাগিয়ে নমো সেখানে সিন্ধুদর্শন পুজো দিয়েছেন, ছবিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। 
তা ছাড়া অনেকেই বলছেন, ওই হাসপাতালে সব কিছু যে ভাবে ফিটফাট রাখা ছিল, তাতে বোঝাই যাচ্ছে, মোদি হঠাৎ যাননি, সবটাই সাজানো হয়েছিল। হাসপাতালে মোদির মাইক হাতে বক্তৃতা দেওয়াও অনেকের পছন্দ হয়নি।
‌১১ হাজার ফুট উচ্চতায় মোদির হঁাটাচলা দেখে অনেকেই বীরত্বের গন্ধ পেয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন লিখেছেন, পশ্চিমঘাট পর্বতমালায় এ রকম উচ্চতার বেশ কয়েকটি জায়গা আছে। মানিয়ে নিতে সময় লাগার কথা নয়।

জনপ্রিয়

Back To Top