আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌বুলেট ট্রেনের জন্যে চলছে জমি অধিগ্রহণ। জোর করে জমি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে রীতিমতো। জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে গুজরাট হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করেছিলেন গুজরাটের প্রচুর কৃষক। তাতেও লাভ হয়নি। কৃষকদের দাখিল করা ১২০টি পিটিশন খারিজ করে দিয়েছে গুজরাটের শীর্ষ আদালত। আর তাতেই আরও উঠে পড়ে লেগেছে ‘‌ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড’। সংস্থার বক্তব্য, জমি অধিগ্রহণ করতে দিলে অনেক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।‌ আর্থিক ক্ষতিপূরণের লোভ দেওয়া সত্ত্বেও কোনওভাবেই গলছেন না মহারাষ্ট্রের পালঘার ও দাহানু অঞ্চলের কৃষকরা। ‘‌ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড’ সংস্থার এক কর্মী জানিয়েছেন, ‘‌মহারাষ্ট্রের ঠানে জেলায় অনেক পরিমান জমিই অধিগ্রহণ করা গিয়েছে। কৃষকরা যদি আরও বেশি ক্ষতিপূরণ চান তো তাঁরা আদালতে আবেদন জানাতে পারেন।’‌
মহারাষ্ট্রের পালঘার অঞ্চলের কৃষক ও আদিবাসী গোষ্ঠিগুলো আগামী দিনে বড়সড় আন্দোলনে নামতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ভূমিপুত্র বাঁচাও আন্দোলন নামে একটি গোষ্ঠিও তৈরি হয়েছে। ওই গোষ্ঠির এক সদস্য শশী সোনাওয়ানে জানিয়েছেন, ‘‌গ্রামসভার অনুমোদন ছাড়া কোনওভাবেই জোর করে জমি অধিগ্রহণ করতে পারবে না ‌ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড। ১৯৯৬ সালের পঞ্চায়েত আইনেই বলা আছে সে কথা।’‌
মহারাষ্ট্রের দাহানু অঞ্চলেও জোর করে জমি অধিগ্রহণে চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। জানাচ্ছেন সেখানকার বাসিন্দারা। এমনকি দাহানু তালুকা পরিবেশ বাঁচাও পর্ষদও তুলে দিতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। যাতে বুলেট ট্রেনের পাশাপাশি অন্যান্য প্রকল্পের কাজ করা যায়।     ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top