অংশু চক্রবর্তী
‌‌‌‌অপ্রচলিত শক্তির ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার সৌরবিজ্ঞানী ড.‌ শান্তিপদ গণচৌধুরিকে সম্মান জানাচ্ছে। ৪ নভেম্বর দিল্লিতে এই অনুষ্ঠান হবে। দেশের শক্তিসংরক্ষণ ও গবেষণার জন্য তাঁকে ১ কোটি টাকা দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই সৌরবিজ্ঞানী ‘‌মিশন ইনোভেশন চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’‌ পেয়েছেন। চলতি বছরের জুন মাসে ৩০টি দেশের বিজ্ঞানীকে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। ভারত থেকে এই সম্মান পেয়েছেন শান্তিপদবাবু। তাঁরা সকলে এই অনুষ্ঠানে থাকবেন।  থাকবেন বায়োটেকনোলজি মন্ত্রকের মন্ত্রী ড.‌ হর্ষবর্ধন। 
শনিবার সৌরবিজ্ঞানী শান্তিপদ গণচৌধুরি বলেন, ‘‌কেন্দ্রীয় সরকার পুরস্কার দিচ্ছে, এটা খুবই আনন্দের। এই ১ কোটি টাকা গোটা দেশের অপ্রচলিত শক্তি নিয়ে গবেষণার জন্য খরচ করা হবে। ৪ তারিখ ৩০টি দেশের বিজ্ঞানী এবং কয়েকটি দেশের মন্ত্রীরাও থাকবেন। কানাডা, জাপান, জার্মান, চীন, ইংল্যান্ড, ইয়োরোপের বিভিন্ন দেশ ও অস্ট্রেলিয়া থেকেও মন্ত্রীরা আসছেন। বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব গোটা বিশ্বজুড়ে পড়েছে। তাই আগামী দিনে কী করা উচিত সে বিষয়ে দিল্লিতে ৪ ও ৫ তারিখ ৩০ দেশের ওই বিজ্ঞানীদের সঙ্গে আলোচনা হবে। শক্তি সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। এই দেশগুলি শক্তি সংরক্ষণের ওপর অসাধারণ কাজ করছে। আমাদের দেশও পিছিয়ে নেই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও পরিবেশের বিষয়ে সদর্থক ভূমিকা নিয়েছেন। জল ধরো জল ভরো প্রকল্প রয়েছে। জল অপচয় বন্ধের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে এ রাজ্যে।’
শান্তিপদবাবুর মতে, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। কমাতে হবে দূষণ। জলাশয় পুকুর সংরক্ষণের ওপর আরও গুরুত্ব‌ দিতে হবে। আরও বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। তাহলে বিশ্ব উষ্ণায়ন কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণও কমবে। পরিবেশ বিজ্ঞানীরাও নানা পরিকল্পনা নিচ্ছেন। বিশ্ব উষ্ণায়নকে কীভাবে রোধ করা যায় তা নিয়ে গবেষণাও শুরু করে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, শান্তিপদবাবু ২০০৪ সালে গ্রিন অস্কার পুরস্কারও পেয়েছেন।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top