‌‌সংবাদ সংস্থা
দিল্লি, ৪ জুলাই

করোনা সংক্রমণের আবহেই শুরু হল সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রস্তুতি। অধিবেশন হবে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে। ফলে লোকসভা তো বটেই, রাজ্যসভাতেও সব সদস্যের বসার জায়গা হবে না। এই অবস্থায় অধিবেশনে রাজ্যসভার সদস্যদের অংশগ্রহণ নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনা করেছেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু। ঠিক হয়েছে, রাজ্যসভার কক্ষ সংলগ্ন সচিবালয়ের চেম্বার এবং দোতলার গ্যালারিগুলিতে সদস্যদের বসার বন্দোবস্ত করা হবে। ঘণ্টাখানেকের আলোচনায় ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল। রাজ্যসভার নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ, প্রশ্নোত্তর পর্বের সম্ভাব্য ইস্যু, সদস্যদের যাতায়াত, স্যানিটাইজিং–‌সহ হরেক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এই সংক্রান্ত পরিকল্পনা জমা করা হবে আগামী সপ্তাহে।
ঘেঁষাঘেঁষি করে বসা যাবে না। বসতে হবে শারীরিক দূরত্ব রেখে। এই সব বিষয় মাথায় রেখে বসার ব্যবস্থা করার পর দেখা যাচ্ছে রাজ্যসভা, সচিবালয়ের সদস্যদের চেম্বার ও গ্যলারি মিলিয়ে সর্বাধিক ১২৭ জন বসতে পারবেন। রাজ্যসভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্য সংখ্যার ভিত্তিতেই চেম্বার ও গ্যালারিতে বসার ব্যবস্থা করা হবে। কে কোন দিন আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন তার তালিকা তৈরি করা হবে। পাশাপাশি সংসদের সেন্ট্রাল হল ও বালযোগী অডিটোরিয়াম থেকে আলোচনার ভার্চুয়াল অংশীদার হওয়া যাবে। যদিও অংশীদারদের সংখ্যা হবে সীমিত। ‌‌বাদ থাকছে মিডিয়া গ্যালারি। সেখানেও থাকবে সামাজিক দূরত্ব বিধি।‌
আনলক ২.‌০ প্রক্রিয়া চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসদীয় কমিটির কাজকর্ম চালু করারও সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হল। তবে আর ফাইল, কাগজ নয়, কাজ হবে সফ্‌ট কপি দিয়ে, অর্থাৎ ল্যাপটপ, ট্যাব, মোবাইলের মতো বৈদ্যুতিন নথিতে। সদস্যদের সামাজিক দূরত্বের নিয়ম মেনে ছ’‌ফুট দূরে বসতে হবে। যাঁরা তলব পাবেন, তাঁদের প্রতিনিধির সংখ্যাও পঁাচজনের মধ্যে থাকবে।

জনপ্রিয়

Back To Top