আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ফলন নেই পেঁয়াজের। দেশের বহু জায়গায় পেঁয়াজের দাম বেড়ে কেজি প্রতি ১০০ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে বললেন, ‘‌আমি নিরামিষ খাই। পেঁয়াজের স্বাদ কীরকম তাই জানি না। আমার মতো একজন মানুষ কীভাবে জানবে পেঁয়াজের দামের বৃদ্ধি হল না হ্রাস‌’?‌ এর আগে বুধবার লোকসভায় এই বিষয়ে তর্ক হয়। পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি সামলাতে নেওয়া পদক্ষেপ এবং হেঁসেলের প্রয়োজনীয় জিনিস সঞ্চয়ের জন্য প্রযুক্তির আধুনিকীকরণের কথা নির্মলা এদিন সংসদে বলেন। এছাড়াও জানান, তিনি খুব একটা পেঁয়াজ বা রসুন খান না, তাঁর পরিবারেও পেঁয়াজের ব্যবহার প্রায় নেই। সুতরাং দেখা যাচ্ছে পেঁয়াজ অগ্নিমূল্য হওয়ার পর দেশের মন্ত্রীদের খাদ্যাভ্যাসে খুব একটা প্রভাব পড়ছে না। একদিকে বিরোধী দলের নেতারা পেঁয়াজের ঝুড়ি নিয়ে লোকসভার বাইরে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। অন্যদিকে অর্থমন্ত্রী ব্যস্ত সরকারের অতীত কৃতিত্বের কথা দেশকে জানাতে। তিনি বলেন, ‘‌পেঁয়াজের দামের নিয়ন্ত্রণ যাঁদের হাতে, ২০১৪ সালে আমি সংসদের সেই দলে ছিলাম। যাঁরা রপ্তানি করতে চান, ফলনে বাড়তি হলে তাঁদেরকে আমরা রপ্তানিতে প্রায় ৫%‌–৭% সাহায্যও করেছি।’‌‌ কিন্তু এখন কী করছে কেন্দ্রীয় সরকার?‌ এদিন তা নিয়ে কোনও কথা বলতে পারেননি তিনি। উল্টে আজেবাজে কথা বলে সময় নষ্ট করেছেন। গত ৪ মাসে পেঁয়াজের মূল্য ২০ টাকা থেকে একেবারে ১৫০ টাকায় গিয়ে পৌঁছে গিয়েছে। শুধু কলকাতায় নয়, সারা দেশেই এই বিপুল সংকট ক্রমে বেড়েই চলেছে। সরকার কীভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করবে, তা বুঝতে পারছে না। উল্টে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়ে একের পর আলটপকা কথা বার্তা বলে চলেছেন।       
 ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top