আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দেশের এখনও বহু মানুষ এবং শিশু দু’‌বেলা পেট ভরে খেতে পায় না। তাদের জন্য কোনও ব্যবস্থা করা যায় কী?‌ নানারকম ব্যবস্থা করা হলেও বিপুল পরিমাণ শিশুকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা সবসময় করা সম্ভব হয় না। কিন্তু দিল্লি এবং মুম্বই বিমানবন্দরের বাইরে এমন ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে প্রায় দিন সকালে গেলে দেখা যাবে ১০০ জনের বেশি বাচ্চাকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। যা সত্যিই খুব ভাল কাজ।
এই দুই বিমানবন্দরে কফি শপের দোকানে খেয়াল করলে দেখা যাবে খাবার নিয়ে শিশুরা আনন্দ করছে। আসলে এইসব দামি খাবার তো কিনে খাওয়া সম্ভব নয়। তাহলে কে কিনে দেয়?‌ কী করেই বা রোজ ১০০ জনের শিশুর মুখে খাবার তুলে দেওয়া যাচ্ছে?‌ প্রশ্নটা স্বাভাবিক। তবে উত্তরও আছে। সকালের খাবার বিমানে করে যাওয়া যাত্রীদের। বিমান দেরী করলে সেই খাবার বিমানের যাত্রীরা খান কিনে। আবার বিমান স্বাভাবিক থাকলেও তা নিয়ে বিমানে উঠে পড়েন অনেকে। কিন্তু আগাম বিমান বাতিলের খবর থাকলে বেঁচে যায় প্রচুর খাবার। কোনও না কোনও বিমান বাতিল হয়ই রোজ। ফলে বেঁচে যায় খাবার। 
এই বেঁচে যাওয়া খাবার কী ফেলে দেওয়া হবে?‌ না, তা ফেলে দেওয়া হয় না। বিমানবন্দরের সঙ্গে ৭০টি রেস্তোরাঁর চুক্তি রয়েছে। এদের সঙ্গে আবার চুক্তি রয়েছে স্বেচ্ছাসেবি সংগঠনের। অতিরিক্ত খাবার চলে যায় সেখানে। তারপর তা তুলে দেওয়া হয় শিশুদের মুখে। তাই অনেকে এটাকে শিশুদের ফিস্ট বলে থাকেন। হয়তো তাই। এই খাবার খেতে পেয়ে তারা খুব খুশি হয়। ২০১৮ সালে মুম্বই বিমানবন্দরে আর ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে এই পরিষেবা চালু হয়েছে। 
স্বেচ্ছাসেবি সংস্থা ফিডিং ইন্ডিয়ার অধিকর্তা গৌরব ধাওয়ান বলেন, ‘‌আমরা এবার আরও চারটে বিমানবন্দরে এই শিশুদের খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করতে চলেছি। বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, গোয়া এবং কলকাতা বিমানবন্দরে এই ব্যবস্থা করা হবে।’‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top