সংবাদ সংস্থা, দিল্লি, ৫ জুন- ধাপে ধাপে ছাড় আগেই ঘোষণা হয়েছিল। ৮ জুন থেকে দেবস্থান ও হোটেল খোলার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র। তার আগে দর্শনার্থী ও গ্রাহকদের নিরাপত্তার খাতে কিছু নির্দেশাবলি  প্রকাশ করা হয়েছে। যেমন, সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ববিধি বজায় রাখা। 
দেবস্থানে দর্শনার্থীদের নিজেদের জুতো গাড়িতে রেখে আসতে বলা হয়েছে। গাড়ি না থাকলে পরিবারের লোকদেরই জুতো পাহারা দিতে হবে। কোনও মূর্তি, ধর্মীয় বই ছোঁয়া যাবে না। দেবস্থানে ভজন–কীর্তনদলের প্রবেশ নিষিদ্ধ। পরিবর্তে রেকর্ড–করা গান বাজবে। একই আসনে বসে দলবদ্ধ হয়ে প্রার্থনা নিষিদ্ধ হয়েছে। তার বদলে বাড়ি থেকে নিজের আসন আনতে হবে। প্রসাদ বিলি বা শান্তির জল বিতরণ বন্ধ। উপাসনালয়েও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। সমস্ত মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বারের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। 
হোটেলে চেক–‌ইনের ক্ষেত্রে অতিথিদের ভ্রমণের ইতিহাস, শারীরিক অবস্থা–‌সহ তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। তার সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে পরিচয়পত্র এবং সেলফ–‌ডিক্ল্যারেশন ফর্মও দিতে হবে। পাশাপাশি, বাইরে গিয়ে খাওয়ার পরিবর্তে হোটেলের অতিথিদের রুম সার্ভিস নিতে বলা হয়েছে। খাবারের প্যাকেট নিজের ঘরে এনে খেতে পারবেন অতিথিরা। অনলাইনে খাবার অর্ডার দেওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে হোটেলে প্রবেশের আগে ফুড ডেলিভারি বয়ের থার্মাল স্ক্রিনিং করতে হবে। তিনি অবশ্য সরাসরি অতিথির হাতে খাবার দিতে পারবেন না। ফুড প্যাকেট অতিথির দরজার সামনে রেখে যেতে হবে। রুম সার্ভিসের ক্ষেত্রে ইন্টারকম বা ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হবে। নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে রুম সার্ভিস দিতে হবে। একইসঙ্গে সংস্পর্শহীন লেনদেনের জন্য ডিজিটাল পেমেন্টের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র।
অবশ্যই নিয়মিত হোটেল পরিষ্কার করতে হবে। পরিষ্কার রাখতে হবে শৌচাগারও। হোটেলের সমস্ত কর্মী এবং অতিথিকে সর্বদা মাস্ক পরতেই হবে। না পরলে হোটেলে ঢুকতে দেওয়া হবে না। হোটেলের কর্মীদের গ্লাভস পরতেই হবে। হোটেলের প্রবেশপথে থার্মাল স্ক্রিনিং ও স্যানিটাইজার ডিসপেন্সারের বন্দোবস্ত করতে হবে। তবে অতিথি ও হোটেলের কর্মীদের পৃথক গেট দিয়ে ঢোকা এবং বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ছ’‌ফুটের দূরত্ব বজায় রাখতেই হবে।

জনপ্রিয়

Back To Top