আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ প্রয়োজন থাকলেও লোকজন আর বিমানে চাপছেন না। একান্ত জরুরি দরকার না হলে অন্য শহরে যাচ্ছেন না। ভয়, পাছে বিমানে করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু গবেষণা বলছে, সঠিকভাবে সতর্কতা অবলম্বন করলে বিমানে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক কম।
তার থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেশি দোকান–বাজার করতে বেরোলে। বা রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়া করলেও করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। বলছে হার্ভার্ডা টি এইচ চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথের একটি গবেষণা। 
বিজ্ঞানীরা মনে করেন, যাত্রীরা সতর্কতা অবলম্বন করলে এবং কোভিড বিধি মানলে উড়ানে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক কম। এই গবেষণায় টাকা দিয়েছে বিমান সংস্থাগুলো। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, তার প্রভাব গবেষণায় পড়েনি। তাঁরা যা পরীক্ষা করে দেখেছেন, তাই জানিয়েছেন।
বিজ্ঞানীদের মতে, বিমান যাত্রীরা প্রত্যেকে মুখে মাস্ক পরলে, বিমানের এয়ার কন্ডিশন এবং শোধন করার যন্ত্র ঠিকঠাক কাজ করলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক কম। বিজ্ঞানীরা এও মনে করেন, বারবার বিমান আসন, দরজা, লক স্যানিটাইজ করা খুব জরুরি। ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। 
এর থেকে দোকানে কিছু কিনতে গেলে বা রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। কারণ কিছু কিনতে গেলে আমরা লাগাতার বিভিন্ন জিনিসপত্র হাত দিয়ে ধরে দেখি। তার পর সেই হাত হয়তো অজান্তেই মুখে দিই। আর খাওয়ার সময় মাস্ক খুলে নিই, যা মারাত্মক। 

জনপ্রিয়

Back To Top