আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌দেশে হু হু করে বাড়ছে জনসংখ্যা। কিছু কিছু সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, আগামী কয়েকবছরে চীনের জনসংখ্যাকেও ছাড়িয়ে যাবে ভারত। তাই অবিলম্বে দ্রুত হারে বাড়তে থাকা দেশের জনসংখ্যা কমানোর ব্যাপার পদক্ষেপ করতে হবে। আর এই সমস্যা সমাধানে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে অভিনব উপায় বাতলে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। তাঁর দাবি দুইয়ের বেশি সন্তান রয়েছে এমন দম্পতির ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হোক। তাহলেই নাকি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার। শুধু উপায় বাতলে দেওয়াই নয়, শিগগিরি আইন পাশ করিয়ে যাতে এই নিয়ম গোটা দেশে জারি করা যায়, সে ব্যাপারেও বৃহস্পতিবার সওয়াল করেছেন মন্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনার জন্য দাবিও তোলেন। এদিন টুইটারে পোস্ট করে গিরিরাজ সিং লেখেন, ‘‌ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এতটা বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সংস্থানগত ভারসাম্য। আর জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার না কমাতে পারার অন্যতম কারণ হল ধার্মিক বাধা।’ তিনি আরও লেখেন, ‘‌ভারত ১৯৪৭ সালের মতো হয়ে যাচ্ছে। দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার রুখতে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে একজোটে এগিয়ে আসতে হবে।’‌ এখানেই শেষ নয়, একটি গ্রাফিক্সও নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ১৯৪৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৬৬%। তুলনায় ওই কয়েক বছরে আমেরিকার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১১৩%। এরপর দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘‌আমি মনে করি, যাঁদের দুইয়ের বেশি সন্তান রয়েছে, তাঁদের থেকে অবিলম্বে ভোটদানের অধিকার কেড়ে নেওয়া হোক। আর এই নিয়ম সব ধর্মের মানুষদের জন্য চালু হোক। কোনও ধর্মের মানুষ যদি বলে তাঁদের পূর্বপুরুষরা জন্মনিয়ন্ত্রণের এই নীতির অনুমতি দেয় না, তাহলেও যেন সেটা শুনে তাঁদের ছাড় না দেওয়া হয়।’‌ তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে বিতর্কমূলক মন্তব্য করেছেন গিরিরাজ সিং। বছর তিনেক আগে তিনি আবেদন করেছিলেন, গর্ভধারণ রুখতে পুরুষের বন্ধ্যাত্বকরণ প্রক্রিয়া চালু হোক।

জনপ্রিয়

Back To Top