সংবাদ সংস্থা, পাটনা: কলেজে বোরখা পরে আসা চলবে না। নিয়ম ভাঙলে ২৫০ টাকা জরিমানা। জারি করেও ফতোয়া প্রত্যাহার করে নিল পাটনার এক মহিলা কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে কেনই বা এই নিয়ম জারি করা হয়েছিল, কেনই বা তুলে নেওয়া হল, সে নিয়ে কোনও ব্যাখ্যা দিতে কর্তৃপক্ষ নারাজ। 
সম্প্রতি পাটনার জে ডি উইমেন্স কলেজে এই মর্মে নোটিস জারি হয়, কলেজে ছাত্রীদের পোশাক বিধি মেনে চলতে হবে। পরতে হবে মেরুন রঙের কুর্তা, সাদা সালোয়ার ও সাদা দোপাট্টা। শনিবার ছাড়া প্রতিদিন এই পোশাক পরতে হবে। তাছাড়া, ক্লাসে ও কলেজ চত্বরে বোরখা নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এই নিয়ম ভাঙলে জরিমানা ২৫০ টাকা।‌ পাটলিপুত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন এই কলেজের কর্তৃপক্ষ শনিবারই ওই নোটিস প্রত্যাহার করে নেন।  বিশেষ কোনও সম্প্রদায়ের ছাত্রীদের হেনস্থা করার জন্য নয়, ভুল করে ওই নোটিস জারি হয়েছিল। জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। কলেজের শিক্ষিকা রেখা মিশ্র জানান, ছাত্রীরা বোরখা পরে আসতে পারেন। এবং চাইলে কলেজ চত্বরে তা খুলে ফেলে ক্লাসে যেতে পারেন। তিনি বলেন, ‘‌নোটিস নিয়ে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।’‌ 
সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অধ্যক্ষা শ্যামা রায় বলেন, ‘আমাদের কলেজে সালোয়ার–‌কামিজ আর ওড়না পরে আসাই নিয়ম। অনেক সময়ই তা লঙ্ঘন করে পড়ুয়ারা। তাই ওই নোটিস দেওয়া হয়েছিল। মুসলিম মেয়েদেরও বলা আছে, বাড়ি থেকে বোরখা পরে এলেও, কলেজে ঢোকার পর তা খুলে ব্যাগে ঢুকিয়ে নিতে হবে। বিষয়টির অপব্যাখ্যা হচ্ছে।’ শুধু তাই নয়, কলেজে মোবাইল ফোন ব্যবহার করলেও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয় বলে জানান তিনি।‌
যেসব ছাত্রছাত্রী বোরখা নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে ছিলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ নোটিস প্রত্যাহার করে নেওয়ায় তাঁরা খুশি। বাকি পোশাক বিধি মেনে চলবেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top