আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ প্রায় ১৮ ঘণ্টা রিয়া চক্রবর্তীকে জেরা করেছে ইডি। তাঁর পরিবারকেও জেরার মুখে পড়তে হয়েছে। খতিয়ে দেখা হয়েছে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। তার পরই ইডি জানাল, গত এক বছরে রিয়ার অ্যাকউন্টে সরাসরি বড় অঙ্কের টাকা ট্রান্সফার করেননি সুশান্ত। 
রিয়ার ভাই বা পরিবারের কারও অ্যাকাউন্টেও বড় অঙ্কের লেনদেন করেননি প্রয়াত অভিনেতা। সুশান্তের কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে একবার ৫৫ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছিল। সে টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে, তা এখনও জানতে পারেনি ইডি।
গত অর্থবর্ষের শুরুতে সুশান্তের অ্যাকাউন্টে ১৫ কোটি টাকা ছিল। তা থেকে আয়কর মেটানো হয়েছে। যাতায়াত সহ বিভিন্ন বিষয়ের খরচ দেওয়া হয়েছে। তবে একটি অ্যাকাউন্টেও সুশান্তের সঙ্গে যুগ্মভাবে রিয়ার নাম নেই। 
খবর, রিয়ার আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সঙ্গতি নেই। সেদিকটা খতিয়ে দেখছে ইডি। সেই নিয়ে তাঁকে জেরা করা হয়েছে। তাঁকে আয় এবং বিনিয়োগের হিসেব জমা করতে বলা হয়েছে। মুম্বইতে রিয়ার দু’‌টি বাড়ি রয়েছে। সেগুলো কেনার টাকা কীভাবে এল, তদন্ত করে দেখছে ইডি। রিয়া এবং তাঁর ভাই শৌভিক সুশান্তের দু’‌টি সংস্থার অংশীদার ছিলেন। সেই সংস্থার লেনদেন, আয়–ব্যয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 
২৫ জুলাই পাটনায় সুশান্তের প্রেমিকা রিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর করেন সুশান্তের বাবা কেকে সিং। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছেন রিয়া। টাকা নয়ছয় করেছেন। এক বছরে সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা বের করা হয়েছে। কাদের অ্যাকাউন্টে সেগুলো গেছে, তাও খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছেন কেকে সিং। তার পরেই আর্থিক তছরুপের তদন্তে নামে ইডি।  

জনপ্রিয়

Back To Top