‌আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নাসিরুদ্দিন শাহ, পঙ্কজ কাপুর, ওম পুরী, শুরেখা সিক্রি প্রমুখকে হাতে ধরে অভিনয় শিখিয়েছিলেন তিনি। ৯৪ বছর বয়সে প্রয়াত কিংবদন্তী নাট্যকার ইব্রাহিম আলকেজি। 
১৯৬২ সালে দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামার পরিচালক পদ গ্রহণ করেন। এনএসডি–তে শিক্ষকতা করার সময়ে শ্রেষ্ঠ নাটকগুলির শ্রেষ্ঠ মঞ্চায়ন করেছিলেন আলকাজিই। গিরিশ কার্নাডের ‘‌তুঘলক’‌, ধর্মবীর ভারতীর ‘‌অন্ধ যুগ’‌, এছাড়াও বহু গ্রিক ও শেক্সপিরিয়ান নাটক পরিচালনা করেছিলেন তিনি। চেকভ এবং ইবসেনের নাটকও পরিচালনা করেছিলেন তিনি। তাঁর অনেকগুলি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে একটি হল, তিনি একটি নাটক তৈরি করার আগে প্রথমত খুঁটিয়ে গবেষণা করতেন। এবং দৃশ্য পটভূমি রচনায় তঁার সমকক্ষ সম্ভবত এখনও কেউ নেই। স্ত্রী রোশন আলকাজির সঙ্গে যৌথভাবে দিল্লিতে আর্ট হেরিটেজ গ্যালারি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। লন্ডনের র‌য়্যাল অ্যাকাডেমি অফ ড্রামাটিক আর্ট থেকে পড়াশোনা করেছিলেন আলকাজি। এমনকি ১৯৫০ সালে তিনি বিবিসি ব্রডকাস্টিং পুরস্কারও পেয়েছিলেন। এছাড়াও ‘‌পদ্মশ্রী’ (‌১৯৬৬), ‘‌পদ্মভূষণ’ (১৯৯১‌)‌ এবং ‘‌পদ্ম বিভূষণ’ (‌২০১০) দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। তিনিই প্রথম, যিনি সারা জীবন ধরে নাট্যজগতে তাঁর অবদানের জন্য রুপবেধ প্রতিষ্ঠানের তনবীর পুরস্কার (‌২০০৪) পেয়েছিলেন। 
মারা গেলেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। ছেলে ফয়জল আলকাজি জানালেন, মঙ্গলবার দুপুর প্রায় তিনটে নাগাদ তিনি মারা যান। দু’‌দিন আগে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁকে এসকর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। 
বলিউডের প্রায় সমস্ত কিংবদন্তী অভিনেতার গুরু ও পথপ্রদর্শকের জীবনযুদ্ধ শেষ হল। শোকস্তব্ধ নাট্যজগত। 

জনপ্রিয়

Back To Top